আকাশবার্তা ডেস্ক :
যাচাই বাছাই ছাড়া কাউকে যুবলীগের পদ-পদবি দেওয়া হবেনা বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, লক্ষ্মীপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপু। তিনি বলেন- যারা ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হবেন। তাদের প্রত্যেকের পারিবারিকভাবে খোঁজখবর নেওয়া হবে। যিনি প্রার্থী তার বাবা-মা কোন দল সমর্থন করেন, ভাই বোন কোন দল সমর্থন করেন, দাদা কোন দলের সাথে যুক্ত ছিলেন? প্রার্থী নিজে কোনো অপরাধের সাথে যুক্ত কীনা, মাদকসেবী বা মাদক ব্যবসায়ী কীনা এসব খোঁজখবর নেওয়ার পর যদি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তাহলে পদ-পদবি পাবেন, না হলে পাবেন না।
বুধবার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৩টি ওয়ার্ডে যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপু এসব কথা বলেন। ইউনিয়ন যুবলীগের উদ্যোগে স্থানীয় মোস্তফার দোকান নামক এলাকার উকিল মাঠে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জেলা আওয়ামীলীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক ও স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বাবুল, চন্দ্রগঞ্জ থানা ১৪ দলীয় জোটের আহ্বায়ক এম ছাবির আহম্মেদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. নুরুল আমিন, সাধারণ সম্পাদক কাজী সোলায়মান, চন্দ্রগঞ্জ থানা কৃষকলীগের সভাপতি জাকির হোসেন জাহাঙ্গীর, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জামান নিজাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন লিঠন। ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক নেতা মো. মহসীন সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।
সম্মেলনের শুভ উদ্বোধন করেন- ইউনিয়ন যুবলীগের আহ্বায়ক মো. সাহাবুদ্দিন এবং অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন, ইউনিয়ন যুবলীগের ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুর রাজ্জাক রিঙ্কু।
উল্লেখ্য, তৃণমূল পর্যায়ে যুবলীগের রাজনীতিকে গতিশীল করার লক্ষ্যে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডকে ৩ ভাগে বিভক্ত করে প্রথমদফায় ১নং উত্তর-পূর্ব পাঁচপাড়া, ৩নং আমানীলক্ষ্মীপুর ও ৪নং পশ্চিম লতিফপুর ওয়ার্ডের এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এই ৩টি ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকের নাম এক সপ্তাহের মধ্যে ঘোষণা করবেন বলে জানান অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপু।