বুধবার ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার

শিবিরের বোমা নাজিমের বাড়িতে ছিলেন সম্রাট

আকাশবার্তা ডেস্ক :

সম্রাট আটক এমন খবরে মুখরিত গোটা দেশ। গতকাল রাত ৯টা থেকে সম্রাটকে গ্রেপ্তারের মহড়ায় নামে র‌্যাব-৭ এর একটি দল। কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের পুঞ্জশ্রী গ্রাম থেকে ভোরে তাকে আটক করা হয়।

ওই গ্রামের মনির চৌধুরীর বাড়ি থেকে আটক করা হলেও স্থানীয় একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে মনির চৌধুরীর ভাতিজা শিবিরের বোমার কারিগর বোমা নাজিমের বাড়ি থেকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে সম্রাটকে।

জামায়াতপন্থী এ পরিবারের সঙ্গে যুবলীগ নেতা সম্রাটের সম্পর্ক কী? এনিয়ে চলছে নানা গুঞ্জন। যদিও স্থানীয়রা বলছেন, সম্রাটের সরাসরি আত্মীয় নয় মনির চৌধুরী ও তার ভাতিজা বোমা নাজিম। ফেনীর মেয়র ও পরিবহণ ব্যবসায়ী স্টার লাইনের মালিক আলাউদ্দিনের ভগ্নিপতি মনির চৌধুরী। আলাউদ্দিনের সঙ্গে সম্রাটের সখ্যতা থাকায় মনির চৌধুরী ও বোমা নাজিমের বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয় সম্রাটকে।

যেখান থেকে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে বর্ডার ক্রস করে পালানো পরিকল্পনা করছিলেন সম্রাট। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না। রোববার রাত ৯টার দিকে শুরু হওয়া অভিযানের মধ্যেই রাত প্রায় ১২টার দিকে সম্রাট ও যুবলীগের আরেক নেতা আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

বোমা নাজিম ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ চট্টগ্রাম থেকে আটক হন।

উল্লেখ্য, চলমান ক্যাসিনোবিরোধী অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগের কারণে যুবলীগ নেতা সম্রাটের নাম আলোচনায় আসে। অভিযানে যুবলীগ, কৃষক লীগ ও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা র‌্যাব ও পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন। কিন্তু সম্রাট ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

অভিযান শুরুর প্রথম তিন দিন তিনি দৃশ্যমান ছিলেন। ফোনও ধরতেন। কয়েক দিন কাকরাইলের ভূঁইয়া ম্যানশনে তাঁর ব্যক্তিগত কার্যালয়েও অবস্থান করেন। ভূঁইয়া ম্যানশনের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে সম্রাটের অবস্থানকালে শতাধিক যুবক তাঁকে পাহারা দিয়ে রাখছিলেন। সেখানেই সবার খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে অন্যস্থানে চলে যান সম্রাট। এরপর তাঁর অবস্থান নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০