শুক্রবার ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

লক্ষ্মীপুরে শিক্ষকের লাথিতে ছাত্র হাসপাতালে

আকাশবার্তা ডেস্ক :

লক্ষ্মীপুরে কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে (টিটিসি) শিক্ষকের লাথিতে ছাত্র মো. রায়হান খন্দকার (১৬) কোমরে আঘাত পেয়ে অচেতন হয়ে পড়ে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম শামছুল আলম। মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার খিলবাইছা এলাকায় টিটিসির ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডের শ্রেণিকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। এসময় ওই শিক্ষক প্রিয় গোবিন্দ নামে আরও এক ছাত্রকে লাথি মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

রায়হান ইলেট্রিক্যাল ট্রেডের দশম শ্রেণির ছাত্র ও সদর উপজেলার বিজয়নগর এলাকার সিরাজ উল্যা খন্দকারের ছেলে। অভিযুক্ত শামছুল আলম ওয়েল্ডিং ট্রেডের সিভিল ইন্সট্রাক্টর।

শিক্ষার্থীরা জানায়, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষা চলছে। ঘটনার সময় ওই শিক্ষক প্রশ্নপত্র নিয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন। ফ্যান (পাখা) রেগুলেটর বাড়ানোর জন্য রায়হান বৈদ্যুতিক বোর্ডে হাত দেয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শিক্ষক শামছুল ছাত্র রায়হানের কোমরে লাথি মারে। এতে সে অচেতন হয়ে পড়ে। ওই শিক্ষকের পায়ে বুট জুতা ছিল। রায়হানকে উদ্ধার করতে গেলে সহপাঠি প্রিয় গোবিন্দকেও শিক্ষক লাথি মারে। খবর পেয়ে অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা রায়হানকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। এরআগেও ওই শিক্ষকের হাতে কয়েকজন শিক্ষার্থী মারধরের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মাহবুবুর রশিদ তালুকদারের মোবাইলফোনে কয়েকবার কল দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত শিক্ষকের সঙ্গেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে কেউ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালে হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারিরীক শাস্তি শিশুদের জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকার লঙ্গন করে এবং তা নিষ্ঠুর, অমানবিক, অপমানকর আচরণ।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০