বিশেষ প্রতিনিধি :
বেগমগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসায় এক ছাত্রকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ ওঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে আহত ওই ছাত্রকে তার স্বজনরা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। আহত ছাত্রের নাম মো. আকবর হোসেন। সে ওই মাদ্রাসার আলিম ২য়বর্ষের ছাত্র এবং আলাইয়ারপুর ইউপির জগদীশপুর গ্রামের রুদ্র বাড়ির আব্দুল মন্নানের ছেলে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মো. শিহাব উদ্দিন।
নির্যাতিত ছাত্র আকবর হোসেন জানান, মাদ্রাসায় মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টায় রাত্রিকালিন কোচিং করার সময় আমার চোখে ঘুমের ভাব আসে। এসময় শিহাব হুজর আমাকে জোড়া বেত দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আমার শরীরের বিভিন্নস্থানে রক্তাক্ত জখম করে।
নির্যাতনের শিকার ওই ছাত্রের বড়ভাই মো. দিদার হোসেন অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বেগমগঞ্জ মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ দিকে সরকারি বিধিমালায় কোচিং নিষিদ্ধ হলেও রাত্রিকালিন ক্লাসের নামে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে কোচিং ফি’ বাবদ ৪০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। অভিভাবকদের অভিযোগ, কোচিংয়ের নামে হাজার হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে। কোন ছাত্র কোচিং না করতে চাইলে টিসি দিয়ে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়ার হুমকি দেয় মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এএইচএম আব্দুল হাই।
অভিযোগের বিষয়ে অধ্যক্ষ এএইচএম আব্দুল হাই’র সাথে মুঠোফোনে এই প্রতিনিধির কথা হলে তিনি রাত ১০টা পর্যন্ত কোচিং করানো এবং ৪০০ টাকা করে ফি’ আদায় করার কথা স্বীকার করেন। তিনি বলেন, আকবর নামে এক ছাত্রকে মারধর করার কথা শুনেছেন। কিন্তু এব্যাপারে তিনি কোনো অভিযোগ পাননি।