বুধবার ২৯শে এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার

‘বাদল ভাইকে আর পদত্যাগ করতে হবে না’

আকাশবার্তা ডেস্ক :

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জাসদের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মঈন উদ্দীন খান বাদল চলে গেছেন না ফেরার দেশে।

বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সকালে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে নারায়ণ হৃদরোগ রিচার্স ইনইস্টিউট অ্যান্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান (ইন্না লিল্লাহি.. রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর।

সাংসদ বাদলের ছোট ভাই মনির খান জানান, দুই বছর আগে ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে গুরুতর অসুস্থ ছিলেন বাদল। হার্টেরও সমস্যা ছিল। দুই সপ্তাহ আগে নিয়মিত চেকআপের জন্য তাকে ভারতে নেওয়া হয়। ১৮ অক্টোবর থেকে প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেঠির তত্ববধায়নে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

মঈন উদ্দীন খান বাদলের জন্ম ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুারি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার সারোয়াতলী গ্রামে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) একাংশের কার্যকরী সভাপতি ছিলেন বাদল। চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসন থেকে তিনি তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সংসদে অনলবর্ষী বক্তা হিসেবে খ্যাতিও পান তিনি।

ছাত্রলীগের রাজনীতি থেকে উঠে আসা বাদল ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। বাঙালিদের ওপর আক্রমণের জন্য পাকিস্তান থেকে আনা অস্ত্র চট্টগ্রাম বন্দরে সোয়াত জাহাজ থেকে খালাসের সময় প্রতিরোধের অন্যতম নেতৃত্বদাতা ছিলেন বাদল।

মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে বাদল সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হন। জাসদ, বাসদ হয়ে পুনরায় জাসদে আসেন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দল গঠনেও বাদলের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল।

২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৭ আসন থেকে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। চট্টগ্রামে কালুরঘাট সেতু পুণঃনির্মাণের দাবিতে এক অনশন কর্মসূচিতে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন ডিসেম্বরের মধ্যে উক্ত সেতু পুণঃনির্মাণের কার্যক্রম গ্রহণ না করলে জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করবেন।

এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম জাসদের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমার সংবাদকে বলেন, সংসদ থেকে বাদল ভাইকে আর পদত্যাগ করতে হবে না। ডিসেম্বরের আগেই তিনি চলে গেলেন না ফেরার দেশে। বাদল ভাইয়ের আর পদত্যাগ করতে হবে না।

তিনি বলেন, কালুরঘাট সেতু নির্মাণের জন্য তিনি আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। তার স্মৃতি ধরে রাখতে হলে এখনই সেতু নির্মাণের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০