রবিবার ১লা মার্চ, ২০২৬ ইং ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

ভুল চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখে শিশু ইয়ামিন

আকাশবার্তা ডেস্ক :

চট্টগ্রামে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার কারণে মৃত্যুর সাথে লড়ছে শিশু ইয়ামিন। সে এখন ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে মৃত্যু পথযাত্রী। শিশুটি নগরীর হালিশহর সিটি স্কুল থেকে এবারের প্রাইমারি স্কুল থেকে সার্টিফিকেট (পিএসসি) পরীক্ষায় অংগ্রহণ করার কথা রয়েছে।

ভুক্তভোগী শিশুটির পিতা মো. এয়াকুব বলেন, গত ৩১ অক্টোবর শিশু ইয়াসমিন চোখে যন্ত্রণা অনুভব করলে তাকে স্থানীয় ডা. সাঈদ মোহাম্মদ জাফর উল্লার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু ডাক্তার জাফর কোনো পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই কিছু এন্টিবায়োটিক ওষুধ দেন। ওষুধ প্রয়োগ করলে তার শরীরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। যার ফলে শিশুটির শরীরে রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার পর একাধিকবার চেষ্টা করেও ডাক্তারের সাক্ষাৎপাননি পরিবারটি।

শিশু ইয়ামিনের চাচা রহমান বাবুল জানায়, গত ৩১ অক্টোবর ইয়ামিন স্কুলের প্রাইভেট পড়তে গিয়ে চোখে যন্ত্রণা অনুভব করলে বাসায় চলে আসে এবং পরিবারকে চোখের সমস্যার কথা জানায়। পরে তার পরিবার ছোটপুলের ব্রিকফিল্ড এলাকার খাজা ড্রাগ ফার্মেসিতে ডা. সাঈদ মোহাম্মদ জাফর উল্লাহকে দেখান। তিনি কোনো পরীক্ষা ছাড়া ওষুধ লিখে দেন। পরে সেসব ওষুধ খাওয়ার পরে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ইসলামি ব্যাংক হাসপাতালে।

পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে আইসিইউতে নেন। সেখানে ডাক্তাররা তাকে আইসিউতে রেখে চিকিৎসা দিলেও শিশুটির শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে নেয়া হয় ঢাকার এ্যাপোলো হাসপাতালে।

ইয়ামিনের ছোট চাচা রহমান বাবুল আরো বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার এ্যপোলো হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে পরীক্ষা নিরীক্ষার পরে জানা যায়, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ফলে অকেজো হয়ে পড়েছে তার দুই কিডনি। এছাড়াও ফুসফুসে পানি চলে এসেছে, বন্ধ হয়ে গেছে পাকস্থলীর স্বাভাবিক কাজ।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত সপ্তাহেও শিশুটির শারীরিক অবস্থা অবনতি হওয়ার পর ডাক্তারটির চেম্বারে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেখানেও চেম্বারটি বন্ধ দেখতে পান শিশুটির পরিবার।

ঢাকার এ্যপোলো হাসপাতালের ডাক্তাররা বলছেন, এখন আল্লাহর উপর ভরসা করা ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। মৃত্যুপথযাত্রী শিশুটির শরীরের চামড়া কালো হয়ে গেছে। চোখ নষ্টের দিকে যাচ্ছে বলেও জানান চিকিৎসক।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন আজিজুল হক সিদ্দীকি বলেন, আমাদের কাছে এ ব্যাপারে কোন অভিযোগ আসেনি। যদি ভুল চিকিৎসার তথ্য সত্য হয়ে থাকে তবে অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে শিশুটির এমন দূরবস্থায় স্থানীয় হালিশহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর অভিযোগ করেন পরিবারটি।

এ ব্যাপারে হালিশহর থানার ওসি ওবায়দুল হক বলেন, ইউসুফ নামে (ইয়ামিনের বড় চাচা) এক ব্যক্তি আমাদের কাছে ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার ব্যাপারে লিখিত একটি অভিযোগ করেছেন। ওটা এখনো অভিযোগ পর্যায়ে রয়েছে। এটা ওষুধের কেমিক্যালের পরীক্ষার নিরীক্ষার ব্যাপার রয়েছে। মামলা হলে আমরা তদন্ত করবো।

সূত্র : দৈনিক আমার সংবাদ

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১