বৃহস্পতিবার ৫ই মার্চ, ২০২৬ ইং ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

আরও একটি স্প্যান পদ্মা সেতুতে বসছে আজ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

পদ্মা সেতুর ১৭তম স্প্যান বসানো হবে আজ মঙ্গলবার। সব কিছু ঠিক থাকলে স্প্যানটি সেতুর ২২ ও ২৩ নম্বর পিলারে উপরে স্থাপন করা হবে।

এদিকে স্প্যানটি এরই মধ্যে সকাল ৯টায় পিলারের কাছে নেয়া হয়েছে।

এর আগে বিষয়টি সোমবার সেতু নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করে জানিয়েছে, চলতি মাসে আরো একটি স্প্যান বসানো হবে।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটারের পদ্মা সেতুতে ৪১টি স্প্যান বসাতে হবে। এর মধ্যে চীন থেকে সেতু এলাকায় স্প্যান এসেছে ৩১টি। তার মধ্যে ১৬টি স্থাপন করা হয়েছে।

জানা গেছে, পদ্মা সেতুর রোডওয়ে স্ল্যাব স্থাপনের কাজ নির্ধারিত গতিতে এগোচ্ছে। ২ হাজার ৯শ ১৭টি রোডওয়ে স্ল্যাব বসবে সেতুতে। এরইমধ্যে ১৬৭৪টি স্ল্যাব তৈরির কাজ শেষ হয়েছে। বসানো হয়েছে ৬৯টি রোডওয়ে স্ল্যাব। দিনেমাত্র একটি রোডওয়ে স্ল্যাব বসানো যাচ্ছে।

পদ্মা সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, মূল সেতুর বাস্তব কাজের অগ্রগতি ৮৪ দশমিক ৫০শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৭৯ দশমিক ০৮ শতাংশ। ২০২১ সালের জুন মাসে সেতু দিয়ে গাড়ি চলবে।

এখন পর্যন্ত মূল সেতুর ৪২টি খুঁটির মধ্যে ৩৩টি খুঁটির কাজ শেষ হয়েছে। বাকি থাকা ১০টির খুঁটির উপরের অংশের কাজ চলছে।

সেতুর প্রকৌশলীরা বলেন, পদ্মা সেতুর স্প্যানের ভেতরে রেলওয়ে স্ল্যাব লাগবে ২ হাজার ৯৫৯টি। এর মধ্যে ২ হাজার ৯২০ টি স্ল্যাব তৈরি শেষ হয়েছে এবং বাকি স্ল্যাব তৈরি চলতি মাসেই শেষ হবে। এখন পর্যন্ত রেলওয়ে স্ল্যাব ৩৬১টি স্থাপন করা হয়েছে।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় এই নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন হয় ২০০৭ সালে। ২০১৫ সালে শুরু হয় নির্মাণ। বর্তমান ব্যয় ৩৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।

মূল সেতু নির্মাণে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন কোম্পানি। আর নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেক প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন। দুইপ্রান্তে টোল প্লাজা, সংযোগসড়ক, অবকাঠামো নির্মাণ করছে দেশীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১