বৃহস্পতিবার ৫ই মার্চ, ২০২৬ ইং ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

জঙ্গিবাদ সঠিক পথ নয়, বললেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাগরের মা

আকাশবার্তা ডেস্ক :

রাজধানীর হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার সাত আসামির একজন হাদিসুর রহমান সাগর। তিনি জয়পুরহাট সদর উপজেলার আমদই ইউনিয়নের কয়রাপাড়া গ্রামের পল্লী চিকিৎসক ডা. হারুনূর রশিদ ও মা আছিয়া বেগমের তিন ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে মেঝ।

সাগর ২০০৫ সালে কয়রাপাড়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করে। তারপর তিনি বানিয়াপাড়া মাদ্রাসা থেকে ২০০৭ সালে আলিম পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন কিন্তু পরীক্ষায় ফেল করে। এরপর তিনি বাড়ি থেকে নিরুদ্দেশ হন এবং পরে জানা যায় তিনি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে জড়িত।

সাগরের বাবা পল্লী চিকিৎসক ডা. হারুনুর রশিদ বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়েছেন। এখন তিনি ঠিকমতো চোখে দেখতে ও চলাফেরা করতে পারেন না। আর কারও সঙ্গে তেমন কথাও বলেন না। সাগরের বড় ভাই ঢাকায় গার্মেন্টসে এবং ছোট ভাই জাহাজ কোম্পানিতে চাকরি করেন। আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে সাগরের মা বাড়িতেই ছোট একটি মুদি দোকান দিয়ে কোনোরকমে সংসার চালান।

এদিকে সাগর গ্রেফতার হওয়ার কিছুদিন পর থেকেই তার বড় মেয়ে হাদিয়া ও ছোট মেয়ে আতিয়া কয়রাপাড়া গ্রামে দাদার বাড়িতে থাকে। তারা স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করছে।

সাগরের মা আছিয়া বেগম জানান, গ্রামের মানুষের মাধ্যমে জানতে পারলাম আমার ছেলের কথা। আমরা গরিব মানুষ বাবা কী বলব, কখন যে ছেলেটা এগুলোর সাথে জড়িয়ে গেছে বলতে পারব না, আমার ছেলে যদি এ কাজ করে থাকে অবশ্যই এ কাজটি সঠিক নয়, রাস্তাও সঠিক নয় এবং এভাবে সমাধানও হয় না, অপরাধী হলে অবশ্যই শাস্তি হওয়া উচিত।

আমদই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহানুর আলম সাবু ও কয়রাপাড়া ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার ফরিদুজ্জামান বেবী বলেন, ছেলেটা অনেকদিন ধরে এলাকা ছাড়া ছিল পরে আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে জঙ্গি সংগঠনের সাথে জড়িত থাকার কথা জানতে পারি। আজ তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে এটাও মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১