আইন আদালত ডেস্ক :
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বেগম জিয়ার জামিন আদেশ পিছিয়ে আগামী ৫ ডিসেম্বর ধার্য করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) আদেশের দিন ধার্য থাকলেও প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ৬ সদস্যের বেঞ্চ তা পিছিয়ে দেন।
জামিন আবেদনের শুনানির শুরুতে খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন বলেছেন, ‘মাই লর্ড, আদালতে এসে পুলিশের তল্লাশি, নিরাপত্তা দেখে আমার কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেছে।’
জবাবে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমাদেরও তো কাঁপাকাপি শুরু হয়ে গেছে। আপনারা সুপ্রিম কোর্টের সামনে এসে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন, ভাঙচুর করছেন।’
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে খালেদা জিয়ার জামিন আদেশ নিয়ে শুনানিকে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্টে বাড়তি নিরাপত্তা দেখা যায়।
এ সময় আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে তল্লাশি করে করে আইনজীবী, বিচারপ্রার্থী ও সাংবাদিকদের আদালত চত্বরে প্রবেশ করানো হয়।
আইনজীবী জয়নুল আবেদীনের কথায় প্রধান বিচারপতি আরও জানতে চান আপনাকে কি পুলিশ কিছু বলেছে?
জবাবে আইনজীবী বলেন, ‘না। আমি বারের সাবেক সভাপতি, আমাকে তো খাতির করে পাঠিয়ে দিল! কিন্তু বাকি আইনজীবীদের কী হবে?’
প্রধান বিচারপতি আশ্বস্ত করে বলেন, ‘কিছু না করলে কিছু হবে না।’ এরপর জামিনের ওপর শুনানি শুরু করেন বিচারকরা।