আল মামুন শিপন, জেদ্দা, সৌদিআরব :
সৌদিআরবের মক্কায় বাংলাদেশ ও সৌদিআরবের মধ্যে ২০২০ সালের হজ চুক্তির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন- ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ও সৌদিআরবের পক্ষে নেতৃত্ব দেন- সৌদিআরবের হজ ও ওমরাহ প্রতিমন্ত্রী ডক্টর আব্দুল ফাত্তাহ বিন সোলায়মান মাশাত।
এসময় দুই দেশের প্রতিনিধি দলের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন- ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনিছুর রহমান, সৌদিআরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজানুর রহমান, কাউন্সিলর হজ্ব মুহম্মদ মাকসুদুর রহমান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এবিএম আমিনুল্লাহ নুরী, হজ পরিচালক (আশকোনা হজ অফিস, ঢাকা) ও হজ এজেন্সীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) সভাপতি এম শাহাদাৎ হোসাইন তাসলিমসহ ৯ জন। সৌদিআরবের পক্ষে ছিলেন- হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের সচিব ডক্টর হোসাইন বিন নাসের শরীফ, হজ অফিসের মহাপরিচালক হুসনী বিন আব্দুল্লাহ বুসতাজীসহ সৌদিআরবের ১০ জন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বৈঠকে যা উপস্থাপন করেন, তা হলো : ১. হজ যাত্রীর কোটা বাড়ানো, ২. রুট টু মক্কা ইনিসিয়েটিভের আওতায় শতভাগ হজ যাত্রীর ইমিগ্রেশন বাংলাদেশে করা এবং হজ্ব শেষে দেশে ফেরার সময় জেদ্দা ও মদিনা এয়ারপোর্টে হাজিগণের ইমিগ্রেশন সহজ করা, ৩. হাজিগণ যাতে ৪২ দিনের পরিবর্তে ৩০ দিনের কম সময়ে দেশে ফিরে যেতে পারেন, ৪. ভিসা প্রসেসিং সহজ করা, ৫. খাওয়া-থাকাসহ সৌদিআরবে বাংলাদেশী হাজিদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো, ৬. কালো তালিকাভূক্ত বেসরকারি এজেন্সীর তালিকা দ্রুত প্রকাশ করা, ৭. হাজিগণের জন্য বাধ্যতামূলক খাবার সরবরাহের প্রথা বন্ধ করা এবং মিনায় উন্নতমানের বাংলাদেশী খাদ্য পরিবেশন ও উন্নতমানের আবাসনের ব্যবস্থা করা, ৮. হজের সময় বাংলাদেশে আইন লঙ্ঘন করে সৌদি এয়ারলাইন্সের Ticket বিক্রির স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া, ৯. হাজি পরিবহনে বাস সার্ভিস উন্নত করা এবং ১০. বাংলাদেশী হাজিদের জন্য ট্রেন পরিবহন সার্ভিস বাড়ানোর জন্য ২০২০ সালের হজ চুক্তির বৈঠকে এ প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।