শনিবার ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

‘রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর অত্যাচারে মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি’

আকাশবার্তা ডেস্ক :

মানবাধিকার নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মানুষের অধিকার নিশ্চিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আজীবন কাজ করে গেছেন। সেই ধারাবাহিকতা রক্ষায় আমরাও মানবাধিকারের বিষয়ে সোচ্চার রয়েছি। আমরা যেকোনও অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ জানাই।

আমরা মানবাধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি জঙ্গি, সন্ত্রাসবাদ ও মাদকের বিরুদ্ধেও লড়ে যাচ্ছি। অপরাধী যেই হোক, তাকে শাস্তি পেতেই হবে।

মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) হোটেল সোনারগাঁওয়ে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, লাখো প্রাণের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা এসেছে। বাংলার মানুষ সব ধরণের অধিকার ফিরে পাবে, তাদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত হবে এমন স্বপ্ন বাস্তবায়নেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে জয়ের পর একটি বিধ্বস্ত দেশের মানুষের খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা নিশ্চিতে বঙ্গবন্ধু রাতদিন কাজ করেন। এর সুফল পেতে শুরু করেছিল জাতি। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর দেশের মানুষ অধিকার বঞ্চিত হতে শুরু করে।

শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যার পর ঘটনার বিচার চাইবার অধিকারটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করা হয়েছিল। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের সময় যারা পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগী হয়েছিল, নারীদের সম্ভ্রমহানি করেছে, মানুষকে হত্যা করেছে সেইসব অপরাধীকেও পুরস্কৃত করা হয়েছিল।

রাজনীতি করার অধিকার ও সংসদে সদস্য হওয়ারও সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল তাদের। তবে আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর থেকে এসব অপরাধের বিচার শুরু হয়েছে। ন্যায়বিচার নিশ্চিতের মাধ্যমে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মানবাধিকার রক্ষায় জাতিসংঘের বিভিন্ন কনভেনশনেও স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ। এছাড়া বিভিন্ন দেশে শান্তি মিশনে এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের সেনা সদস্যরাও কাজ করে যাচ্ছে।

মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর পরিচালিত অত্যাচারের নিন্দা জানিয়ে এবং সংকট সমাধানে কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, তাদের ওপর যে বর্বর অত্যাচার চালানো হয়েছে, তা দেখে মুক্তিযুদ্ধের কথা মনে হয়েছে। আসলে রোহিঙ্গাদের ওপর বর্বর অত্যাচারে মুক্তিযুদ্ধ দেখতে পেয়েছি। তাই আমরা তাদের আশ্রয় দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। এখানের একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না, চিকিৎসা ছাড়া মানুষ মরবে না। আধুনিক ও প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন নতুন প্রজন্ম গড়ে তুলে সব ধরণের অধিকার নিশ্চিতের কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশে বারবার মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। তবে সেই অবস্থা থেকে ফিরিয়ে প্রতিটি নাগরিকের অধিকার নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১