শনিবার ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

‘জিয়া সবচেয়ে বড় রাজাকার’

আকাশবার্তা ডেস্ক :

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেছেন, আমি একটা কথা বলতে চাই, জিয়াউর রহমানকে অনেকে বলে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’। তার সম্পর্কে এরকম কথা কেন বলে? তারা কী জানে, জিয়াউর রহমান ছিলেন সবচেয়ে বড় রাজাকার! তার প্রমাণ আমি দিচ্ছি। প্রমাণ ছাড়া আমি কথা বলি না। যদি কেউ মুক্তিযুদ্ধে এ জাতির সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে, সেটা করেছে একমাত্র জিয়াউর রহমান।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ির কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন শেখ সেলিম।

মুক্তিযুদ্ধের সময় জিয়াউর রহমান পাকিস্তানের এজেন্ট ছিলেন মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে তিন শ্রেণীর লোক মুক্তিযুদ্ধে গেছেন। এক শ্রেণীর মানুষ গেছেন বঙ্গবন্ধুর ডাকে। আরেক শ্রেণী ছিলেন জীবন বাঁচানোর সুবিধায়। তৃতীয় শ্রেণী ছিলেন পাকিস্তানের এজেন্ট হিসেবে। সেই এজেন্টেই ছিলেন জিয়াউর রহমান।

জিয়াউর রহমান সবচেয়ে বড় রাজাকার ছিলেন তার স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে শেখ সেলিম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান আর্মির একজন কর্নেল ছিলেন। ১৯৫ জন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীর একজন ছিলেন এই কর্নেল আসলাম বেগ।

তিনি জিয়াউর রহমানকে লিখেছিলেন, আমাদের অবশ্যই বলতে হবে, তুমি (জিয়াউর রহমান) ভালো কাজ করেছো। খুব শিগগির তুমি নতুন কাজ পাবে। তোমার পরিবার নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ো না। তোমার স্ত্রী (খালেদা জিয়া) ও বাচ্চা ভালো আছে।

আওয়ামী লীগের শীর্ষ এ নেতা বলেন, স্ত্রী তো ভালোই থাকবে। ওনাকে দেখাশোনা করতো ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীর একজন জানজুয়া। জানজুয়া যখন মারা যায়, তখন উনি (খালেদা জিয়া) প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শোকবার্তা পাঠান। একজন বড় রাজাকার ছাড়া কেউ এই যুদ্ধাপরাধী, গণহত্যাকারীদের প্রতি সহানুভুতি দেখাতে পারে না। বাস্তবে এই দুইজনই (জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া) ছিলেন এক নম্বর ও দুই নম্বর রাজাকার।

এসময় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলটির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১