বুধবার ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

যেভাবে জামিন পেলেন ড. ইউনূস

আইন আদালত ডেস্ক :

শ্রম আইনে করা মামলায় পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পেয়েছেন গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের বিচারক রহিবুল ইসলামের আদালতে রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকালে আত্মসমপর্ণ করে জামিন আবেদন করেন এ নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ। এসময় আদালত তাকে ৫ হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন দেন।

এদিকে গত ১৩ জানুয়ারি ড. ইউনূসসহ তার প্রতিষ্ঠানের আরও তিনজনকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন আদালত।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি আদালতে মামলাটি করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) তরিকুল ইসলাম।

মামলায় ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ কমিউনিকেশনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজনীন সুলতানা, পরিচালক আব্দুল হাই খান ও উপ-মহাব্যবস্থাপক (জিএম) গৌরি শংকরকে বিবাদী করা হয়েছে।

এর আগে ট্রেড ইউনিয়ন গঠনের কারণে গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের চাকরিচ্যুত তিন কর্মীর পৃথক তিনটি মামলায় একই আদালত গত ৯ অক্টোবর ইউনূসের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। এরপর ৩ ন‌ভেম্বর আদাল‌তে আত্মসমর্পণ ক‌রে জা‌মিন নেন তিনি।

নতুন মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩০ এপ্রিল একজন পরিদর্শক প্রতিষ্ঠানটি গ্রামীণ কমিউনিকেশন্স পরিদর্শন করে বিভিন্ন ত্রুটি দেখতে পেয়ে সেসব সংশোধনের নির্দেশনা দেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে পর ৭ মে ডাকযোগে বিবাদী পক্ষ জবাব দেয়।

এরপর মামলার বাদী একই বছরের ১০ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটিতে পরিদর্শনে গিয়ে ১০টি বিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ পান এবং ২৮ অক্টোবর তা অবহিত করেন।

তবে বিবাদী পক্ষ সময়ের আবেদন করেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জবাব দাখিল করেনি।

এতে বিবাদীরা বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬, বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ এর ধারা ৩৩ (ঙ) এবং ৩০৭ মোতাবেক দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন বলে মামলায় বাদী অভিযোগ করেছেন।

গ্রামীণ কমিউনিকেশন্সের বিরুদ্ধে যেসব বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- বিধি মোতাবেক শ্রমিক/কর্মচারীদের নিয়োগপত্র, ছবিসহ পরিচয়পত্র ও সার্ভিস বই না দেয়া; শ্রমিকের কাজের সময় এর নোটিস পরিদর্শকের কাছ থেকে অনুমোদিত নয়, কোম্পানিটি বার্ষিক ও অর্ধবার্ষিক রিটার্ন দাখিল করেনি, কর্মীদের বৎসরান্তে অর্জিত ছুটির অর্ধেক নগদায়ন করা হয় না।

এছাড়া কোম্পানির নিয়োগবিধি মহাপরিদর্শক কর্তৃক অনুমোদিত নয়, ক্ষতিপূরণমূলক সাপ্তাহিক ছুটি ও উৎসব ছুটি প্রদান-সংক্রান্ত কোনো রেকর্ড/রেজিস্টার সংরক্ষণ করা হয় না, কোম্পানির মুনাফার অংশ ৫% শ্রমিকের অংশগ্রহণ তহবিল গঠনসহ লভ্যাংশ বণ্টন করা হয় না, সেফটি কমিটি গঠন করা হয়নি, কর্মীদের অন্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করালেও কোনো ঠিকাদারি লাইসেন্স এবং কারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর থেকে লাইসেন্স নেয়া হয়নি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১