শনিবার ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

লন্ডনে স্ত্রী-সন্তান হত্যা : বাংলাদেশির ৪০ বছরের সাজা

আকাশবার্তা ডেস্ক :

পূর্ব লন্ডনের ইস্ট হামে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার দায়ে এক বাংলাদেশিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের একটি আদালত।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) তাকে এই সাজা দেন লন্ডনের দ্য ওল্ড বেইলি আদালত। যুক্তরাজ্যে যাবজ্জীবন সাজার মেয়াদ সর্বনিম্ন ৪০ বছর।

২০০৬ সালে তাদের হত্যার পর মোহাম্মদ আব্দুল শাকুর (৪৬) নামের ওই ব্যক্তি পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

১৯৯৯ সালে বিয়ের পর থেকে স্ত্রী জুলি বেগম (২৬), দুই সন্তান তানহা খাতুন (৬) ও আনিকা খাতুনকে (৫) নিয়ে পূর্ব লন্ডনের ইস্ট হামে বসবাস করতেন মোহাম্মদ আব্দুল শাকুর। সেখানে ২০০৭ সালের জানুয়ারিতে ওই বাসার বেডরুম থেকে স্ত্রী ও দুই সন্তানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

দীর্ঘ তদন্তে পুলিশ নিশ্চিত করে, তাদের শাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পরই আব্দুল শাকুর বাংলাদেশে আসেন। পরে ভারতে গিয়ে আত্মগোপন করেন তিনি। ২০১৯ সালের এপ্রিলে কমনওয়েলথের মাধ্যমে তাকে যুক্তরাজ্যে ফেরানো হয়।

মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ অপরাধ বিভাগের ডিটেকটিভ সার্জেন্ট আমজাদ শরিফ বলেন, শাকুর কীভাবে এত নির্মম ও হিংস্রভাবে তার স্ত্রী-সন্তানদের হত্যা করতে পারল, সেটা সত্যিই বিস্ময়কর।

আদালতে দেওয়া এক বিবৃতিতে জুলির পরিবার বলেছে, আব্দুল শাকুর আমাদের পরিবারকে একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছে। জুলি ও তার দুই সন্তানকে হত্যা করেছে। আমরা কল্পনাই করতে পারি না, সে তাদের কীভাবে হত্যা করতে পারল। আমরা তাদের প্রতিনিয়ত স্মরণ করি। তাদের মৃত্যু আমরা মেনে নিতে পারছি না।

আমজাদ শরিফ বলেন, ২০০৭ সালের পর থেকে এই পর্যন্ত জুলির পরিবারকে অবর্ণনীয় যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়েছে। মাঝে মাঝে মনে হয়েছে, এই হত্যার বিচার কোনদিনও হবে না। বিশেষ করে তার পালিয়ে যাওয়া ও আটকের আগে এমনটা মনে হয়েছে। অবশেষে সুবিচার নিশ্চিত হওয়ায় আমরা এখন খুশি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১