সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

ভেঙে গেল শাবনুরের বিয়ে!

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বেশ জামজমক আয়োজনে হচ্ছিল শাবনুরের বিয়ে। প্রায় পাঁচ লাখ টাকা খরচও করে ফেলেছে তার পরিবার। তবে হঠাৎ করে ভেঙে যায় সেই বিয়ে।

ঘটনা হল, খাবার দিতে দেরি হওয়ায় কথা কাটাকাটির পর ঘটে মারামারি। এক পর্যায়ে ভেঙে যায় শাবনুরের বিয়ে।

ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আল-আমিন কমিউনিটি সেন্টারে। শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তে উপজেলার সরকার হাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও রক্ষা করতে পারেনি বিয়ে। এ ঘটনায় আনোয়ারা থানার এসআই শামসুজ্জামান বলেন, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মারামারির খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। দু’পক্ষকে শান্ত করি। কিন্তু বরপক্ষের আচরণে কনেপক্ষ মেয়ে দিতে রাজি হয়নি। তাই বরপক্ষ বিয়ে না পড়ে চলে যায়।

এ বিষয়ে ১৮ ফেব্রুয়ারি দু’পক্ষকে থানায় আসতে বলেছি। পুলিশ জানায়, আনোয়ারা উপজেলার মহতর পাড়া গ্রামের শরীফ মেম্বারের বাড়ির রবিউল হোসেনের ছেলে মো. রুবেলের সঙ্গে বাঁশখালী বেলগাঁও গ্রামের হারুনের বাড়ি আব্দুল মোতালবের মেয়ে শাবনুর আকতারের বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের অনুষ্ঠান চলার একপর্যায়ে বর আসে। বর আসার পর তাকে ও তার মাকে খাবার দিতে দেরি হওয়ায় বরের ভাই সোহেল ক্ষিপ্ত হয়ে মারামারি শুরু করে। এক পর্যায়ে কমিউনিটি সেন্টার কর্তৃপক্ষ মারামারি থামানোর চেষ্টা করেও না পারায় পুলিশকে ফোন দেয়। পরে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ বিষয়ে শাবনুরের মামা গুরা মিয়া বলেন, খাওয়ার জন্য মানুষ এরকম করে, আর দেখি নাই। বর আসার পর ভাত দিতে দেরী হওয়ায় তার ভাই লঙ্কা কাণ্ড করে ফেলছে। আমাদের কয়েকজনকে মেরে আহত করেছে। তারপরও আমরা শান্ত থেকেছি। কিন্তু বরের ভাই, বাবাসহ কেউ শান্ত না হওয়ায় পুলিশ এসে দু’পক্ষকে সমঝোতায় আনতে চেয়েছিল। তবে তাদের আচরণ দেখে আমরা মেয়েকে তুলে দিইনি। প্রায় ৫ লক্ষ টাকা খরচ করছি।

এছাড়াও আমরা ৫০ হাজার টাকার ফার্নিচার আগে বরের বাড়িতে পৌঁছিয়ে দিয়েছি। ঘটনার ব্যাপারে বরের ভাই সোহেল বলেন, আমার ভাই আসার ২ ঘণ্টা পরও ভাত দিচ্ছে না, তাই একটু কথা কাটাকাটি হয়েছে। এজন্য নাকি ওরা মেয়ে দিবে না। মেয়ের পক্ষ হয়ে এত অহংকার কিসের, তাই আমরাও আনি নাই।

তবে মারামারির বিষয়ে তিনি সব অভিযোগই অস্বীকার করেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

October 2026
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31