সর্বশেষ:
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া

আর দু’টি পিলার বসলেই দেখা যাবে পদ্মাসেতু!

আকাশবার্তা ডেস্ক :

পদ্মার বুকে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে স্বপ্নের সেতুর ৪০টি পিলার। আর দুইটি পিলারের কাজ হলেই দেখা যাবে পুরোপুরি পদ্মাসেতু!

এদিকে করোনাভাইরাসে পদ্মাসেতুর কাজের গতিতে প্রভাব ফেললেও থেমে নেই সেতু নির্মাণের কাজ। সামনে ২৬ ও ২৭ নম্বর পিলারের শেষ হলেই সম্পন্ন হবে সব পিলারের কাজ, যা আরো এক মাস সময়ের মধ্যে শেষ হবে বলে মনে করছেন প্রকৌশলীরা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ২৬তম স্প্যান সেতুর ২৮ ও ২৯ নম্বর পিলারে বসিয়ে ৩ হাজার ৯০০ মিটার দৃশ্যমানের পরিকল্পনা প্রকৌশলীদের।

রোববার (৮ মার্চ) গভীর রাতে দেশি-বিদেশি প্রকৌশলীদের চেষ্টায় শেষ হয় ১০ নম্বর পিলারের কাজ। এর মাধ্যমে মূল নদীর সব পিলারের কাজ শেষ হলো। বাকি দুইটি পিলারের অবস্থান নৌযান চলাচলের চ্যানেলে। পদ্মাসেতুর প্রকৌশল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এই প্রসঙ্গে পদ্মাসেতুর এক প্রকৌশলী জানান, বাকি থাকা দুইটি পিলারে এখন কংক্রিটিং চলছে। তা শেষ হয়ে সময় লাগবে এক মাস।

এরই মধ্যে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে দুইটি স্প্যান এসে যোগ হয়েছে, বর্তমানে ৩৯টি স্প্যান আছে। চীন থেকে দুইটি স্প্যান আসার কার্যক্রম চলছে। চীনে স্প্যানগুলো তৈরি হয়ে নৌপথে বাংলাদেশে আসে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রভাবে সেখানকার খোঁজখবর ঠিকমতো নেওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরও জানান, সোমবার (৯মার্চ) মাওয়া কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে ২৬তম স্প্যান সেতুর ২৮ ও ২৯ নম্বর পিলারের কাছে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর মঙ্গলবার (মার্চ) সকালে স্প্যানটি বসানোর মাধ্যমে ৩ হাজার ৯০০ মিটার দৃশ্যমানের পরিকল্পনা আছে। অনুকূল আবহাওয়া আর কারিগরি জটিলতা দেখা না দিলে এই শিডিউল অনুযায়ী স্প্যান বসানো হবে।

এদিকে করোনাভাইরাসের প্রকোপে চীনা প্রকৌশলী-শ্রমিকরা এখনো পুরোপুরি কাজে যোগ দেয়নি। প্রায় দেড়শ চীনা বাকি আছে, যারা কাজে যোগাদান করেনি।

জানা যায়, সেতুর ৫, ৬, ৭, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ১৭, ১৮, ১৯, ২১, ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৯, ৩০, ৩১, ৩২, ৩৩, ৩৪, ৩৫, ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১,৪২ নম্বর পিলারে বসেছে ২৫টি স্প্যান। স্প্যান বসানো বাকি পিলারগুলো হলো-১, ২, ৩, ৪, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ২০, ২৬, ২৭, ২৮ নম্বর। রেলওয়ে স্ল্যাব বসেছে ৭২২টি ও রোডওয়ে স্ল্যাব বসেছে ৩৪৪টি।

৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি দ্বিতল হবে, যার ওপর দিয়ে সড়কপথ ও নিচের অংশে থাকবে রেলপথ।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি) ও নদীশাসনের কাজ করছে চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930