আকাশবার্তা ডেস্ক :
প্রতিবারের মতো এবারও শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট থেকে মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া জানা যাবে মোবাইল ফোনে এসএমএস করেও। এবার সার্বিকভাবে ৮০ দশমিক ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় পাস করেছে। এর মধ্যে দের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ৭৬১ জন।
গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত এসএসসির তত্ত্বীয় এবং ৪ থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় এবার। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপ-কমিটির আহ্বায়ক তপন কুমার সরকার জানান, শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট (http://www.educationboardresults.gov.bd) থেকে পরীক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইটে (www.educationboardresults.gov.bd) গিয়ে ফলাফল ডাউনলোডও করা যাবে। বোর্ড থেকে ফলাফলের কোনো হার্ডকপি সরবারহ করা হবে না। তবে বিশেষ প্রয়োজনে জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তর থেকে ফলাফলের হার্ডকপি সংগ্রহ করা যাবে বলে জানান তিনি।
এসএমএসে ফল:
যে কোনো মোবাইল অপারেটর থেকে এসএমএস করে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল জানা যাবে। SSC/DAKHIL লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে ২০১৭ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যাবে।
ফল পুনঃনিরীক্ষা:
রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক থেকে আগামী ৫ থেকে ১১ মে পর্যন্ত এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করা যাবে বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপ-কমিটির আহ্বায়ক তপন কুমার জানিয়েছেন।
ফল পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করতে RSC লিখে স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখতে হবে; এরপর ফের স্পেস দিয়ে বিষয় কোড লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফি বাবদ কত টাকা কেটে নেওয়া হবে তা জানিয়ে একটি পিন নম্বর (পার্সোনাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) দেওয়া হবে।
আবেদনে সম্মত থাকলে RSC লিখে স্পেস দিয়ে YES লিখে স্পেস দিয়ে পিন নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে যোগাযোগের জন্য একটি মোবাইল নম্বর লিখতে হবে; এরপর ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে।
প্রতিটি বিষয় ও প্রতি পত্রের জন্য ১২৫ টাকা হারে চার্জ কাটা হবে।যে সব বিষয়ের দুটি পত্র (প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র) রয়েছে যে সকল বিষয়ের ফল পুনঃনিরীক্ষার আবেদন করলে দুটি পত্রের জন্য মোট ২৫০ টাকা ফি কাটা হবে। একই এসএমএসে একাধিক বিষয়ের আবেদন করা যাবে, এক্ষেত্রে বিষয় কোড পর্যায়ক্রমে ‘কমা’ দিয়ে লিখতে হবে।