
আকাশবার্তা ডেস্ক :
লক্ষ্মীপুরে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় এবারও জেলার প্রথমস্থান অর্জন করেছে সদর উপজেলার প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ে পাসের হার শতভাগ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৮ জন শিক্ষার্থী। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২৬৩ জন। গত ৭ বছর যাবত জেলার প্রথমস্থান ফলাফল অর্জন অব্যাহত রেখেছে বিদ্যালয়টি।
কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফল বিবরণের আলোকে জেলার সার্বিক ফলাফল মূল্যায়নে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
১৮ জন জিপিএ-৫ এবং ৮৪.৪৯ শতাংশ পাসের হার অর্জন করে জেলার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লক্ষ্মীপুর সরকারি আদর্শ সামাদ উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২৪৫ জন, পাস করে ২০৭ জন। তৃতীয়স্থানে রয়েছে লক্ষ্মীপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ২৪৬ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ২০৫ জন, পাসের হার ৮৩.৩৩ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮ জন।
জেলার সবচেয়ে খারাপ ফলাফল করেছে রামগঞ্জ উপজেলার এমইউ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। এ বিদ্যালয় থেকে ৭৩ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করে মাত্র ১৪ জন। এ বিদ্যালয় থেকে ৫৮ জনই ফেল।
রায়পুর উপজেলার রায়পুর মার্চ্চেন্ট একাডেমী থেকে ২০৭ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ১৮৮ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ জন।
মান্দারী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২৫৯ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ১৩৯ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১ জন। রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২২৮ জন পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ১৩০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। একই উপজেলার বিবিকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৭৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করে ১২০ জন এবং জিপিএ-৫ পায় ৪ জন। কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট মিল্লাত একাডেমী ২০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২১ জন পাস করে। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন এবং পাসের হার ৫৯.৩১ শতাংশ।
জেলার সেরা ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সার্বিক ফলাফল মূল্যায়নে তিনি সন্তুষ্ট। শিক্ষক, অভিভাবক এবং ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় বরাবরের মতো এবারও ভালো ফলাফল হয়েছে।
এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় সারাদেশের আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হার সবার নীচে। গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার এক লাফেই কমেছে ২৪ দশমিক ৯৭ শতাংশ। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ কমেছে, কমেছে শতভাগ পরীক্ষার্থী পাস করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও।
গণিত, ইংরেজিসহ অন্তত আটটি বিষয়ে খারাপ করায় ওই ফলবিপর্যয় হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এসএসসি পরীক্ষার প্রকাশিত ফলাফলের বিবরণীতে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।