বিশেষ প্রতিনিধি :
বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনীতে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করায় ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হাসান ইমরানের হাতের আঙ্গুল কেটে নিয়ে গেছে দুর্র্বৃত্তরা। আহত ইমরান বর্তমানে ঢাকা ট্রমা সেন্টারে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রধান আসামি রুবেল ও ৩নং আসামি আজাদকে গ্রেফতার করেছে। এমন হামলায় নিন্দা জানিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গোলাবাড়িয়া এলাকায় সর্দার বাড়ির আবদুল কাদেরের পুত্র রুবেলের নেতৃত্বে একদল বখাটে ও মাদকসেবীরা দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় নানারকম সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে আসছিল। তাদের এসব কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করেন, চৌমুহনী সরকারি এসএ কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক কামরুল হাসান ইমরান। এতে তিনি বখাটেদের টার্গেটে পরিণত হন। এর জের ধরে গত ২৯ এপ্রিল বিকালে ইমরান বাসা থেকে বের হয়ে প্রধান সড়কে আসার সময় ঘটনাস্থলে রুবেলের নেতৃত্বে আরমান ও আজাদসহ একদল বখাটে তার উপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালে অস্ত্র দিয়ে ইমরানকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায়।
পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এ সময় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে লাইফ কেয়ার হাসপাতাল ও পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এরপরও তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা ট্রমা সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অপারেশন করে তার ডান হাতের কনিষ্ট আঙ্গুল কেটে ফেলা হয়। বর্তমানে ইমরান সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় ইমানের বড় ভাই বাদি হয়ে রুবেল, আরমান ও আজদের বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে ইমরানের উপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মিনহাজ আহমেদ জাবেদ, চৌমুহনী পৌরসভার মেয়র আক্তার হোসেন ফয়সল, চৌমুহনী পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর ছিদ্দিক টিপু, জেলা যুবলীগের যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিনুল হক মুন্নাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।