বুধবার ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

সংসদে যেতে বাধার সম্মুখীন বললেন প্রধানমন্ত্রী

আকাশবার্তা ডেস্ক :

মহামারি আকারে বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে সংসদের বৈঠকে যেতে বাধা পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (১৪ জুন) জাতীয় সংসদে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুতে আনীত শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে নিজেই এ কথা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।

সংসদে বক্তব্য প্রদানকালে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর মৃত্যুতে শোক ও দুঃখ প্রকাশও করেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, সংসদে আসার পর অনেক জায়গা থেকে আমাকে ভীষণভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে, নিষেধ করা হয়েছে। বলেছে-নেত্রী আপনি যাবেন না। আমি বললাম গুলি, বোমা, গ্রেনেড কত কিছুই মোকাবিলা করে এ পর্যন্ত এসেছি। আর একটা অদৃশ্য শক্তি তার ভয়ে ভীত হয়ে থাকবো? তা হয় না।

এসময় দারিদ্র্যের হার অনেকটা কমিয়ে আনা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মাত্র ১০ বছরের মধ্যেই আমাদের জিডিপি বেড়ে গিয়েছিল। আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছিলাম। কিন্তু এমন একটা অদৃশ্য শক্তি করোনাভাইরাস সারা বিশ্বটাকে স্থবির করে দিয়েছে। সারা বিশ্বটাতে কেমন একটা অস্বাভাবিক পরিবেশ সৃষ্টি করলো।

তিনি বলেন, আমাদের কোনো নেতাকর্মী মারা গেলেও আমরা ছুটে গেছি তার জানাজায়, কবরে ফুল দেওয়া ও পরিবারের সঙ্গে দেখা করার জন্য। এখন এমনই অস্বাভাবিক পরিবেশ যে আমরা এবার সেটা করতে পারলাম না। সেটাই বড় কষ্টকর।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি অন্ততপক্ষে দেশের মানুষ যেন স্বাস্থবিধি মেনে চলে। পাশাপাশি করোনার ভয়ে মানুষগুলো যেন না খেয়ে মরে। তাদের বেঁচে থাকার ব্যবস্থা তো আমাদের নিতে হবে। তাদের জীবনযাত্রা যেন চলে সেই ব্যবস্থা আমাদের করতে হবে।

এই কারণে আমরা ঠিক করেছি কোন কোন এলাকায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেশি, সেসব জায়গা লকডাউন করার। যাতে সেখান থেকে কোনোরকম আর সংক্রমিত না হয়। সঙ্গে সঙ্গে যেন আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল থাকে সেদিকেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।

করোনায় দুজনের মৃত্যু প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এটা এক ধরনের যুদ্ধ। এই সময় আমাদের দুজন হারালাম, যারা সবসময় আমাদের সঙ্গে ছিল। তাদের হারানোটা অত্যন্ত কষ্টকর। আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১