বুধবার ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

দুই সন্তানসহ করোনামুক্ত হলেন রাঙ্গুনিয়ার ইউএনও

আকাশবার্তা ডেস্ক :

দুই শিশু সন্তানসহ করোনাভাইরাসের সংক্রমিত হয়েছিলেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান (৩৮)। করোনার সঙ্গে দীর্ঘ ২৩ দিন লড়াইয়ের পর তিনজনই করোনাভাইরাসমুক্ত হয়েছেন।বিষয়টি জানিয়ে গত শনিবার নিজের ফেসবুকে একটি লেখা প্রকাশ করেন ইউএনও।

রোববার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সও আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁদের সুস্থ হওয়ার ঘোষণা দেয়। এখন আবার কর্মস্থলে যোগ দেওয়া অপেক্ষায় আছেন ইউএনও। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীর জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলায়। দেশে করোনা সংক্রমণের শুরু থেকে এই ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন মাসুদুর রহমান। রাঙ্গুনিয়ায় বিদেশফেরত ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করেছেন তিনি।

সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে হাটবাজারে ঘুরেছেন। করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের বাড়ি লকডাউন, গণপরিবহন সীমিত রাখতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, কর্মহীন মানুষদের মধ্যে সরকারি ত্রাণ বিতরণ ও বন্টন করতে গিয়ে তাঁকে নানা ধরনের মানুষের সংস্পর্শ আসতে হয়েছে। আর এ থেকে মাসুদুর ও তাঁর দুই ছেলের মধ্যে করোনা সংক্রমিত হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, গত ৩০ মে করোনা পরীক্ষার জন্য মাসুদুর রহমান নমুনা দেন। নমুনা পরীক্ষায় ১ জুন তিনি করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন। এরপর তিনি সরকারি বাসায় আইসোলেশনে ছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো তিনি চলেন। এরপর তাঁর দুই বছর ও চার বছর বয়সী দুই ছেলের নমুনা পরীক্ষাতেও করোনা শনাক্ত হয়।

করোনা জয়ের অভিজ্ঞতার বিষয়ে মাসুদুর রহমান বলেন, ‘পরপর দুবার আমার ও এক ছেলের করোনা পজিটিভ আসায় একটু ঘাবড়ে যাই। তবে মনোবল শক্ত রেখেছি। সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করেছি। সবার দোয়া ও সহযোগিতায় চিকিৎসকদের নিয়ম মেনে সবকিছু করেছি। ঘরে থেকে চিকিৎসা নিয়েছি। বেশি করে ভিটামিন সি ও ডি-যুক্ত খাবার খেয়েছি।

দৃঢ়তার সঙ্গে এই ভাইরাসকে মোকাবিলা করেছি। করোনার উপসর্গ কমে যাওয়ার পর বাসার একটি কক্ষে বসে কার্যালয়ের কাজ করেছি।’করোনামুক্ত হতে পারায় সবার প্রতি কৃতজ্ঞ ইউএনও। তাঁর মতে, কোভিড-১৯-এর এখনো প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃত কোনো ওষুধ আবিষ্কার হয়নি। তাই এই ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধ করেই সবাইকে স্বাভাবিক জীবনযাপন অব্যাহত রাখতে হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে না চললে এই ভাইরাসের আক্রমণ থেকে কেউ নিরাপদ থাকতে পারবেন না।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা কর্মকর্তা ও করোনা বিষয়ক ফোকাল পারসন মো. ফোরকান উদ্দিন সিকদার বলেন, ইউএনও এবং তাঁর দুই শিশুপুত্রের শুরু থেকে করোনা উপসর্গ ছিল।

উপসর্গ অনুযায়ী তাঁদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি ও তাঁর এক সন্তানের পরপর দুবার করোনা পজিটিভ হয়। মনোবল না হারিয়ে তাঁরা চিকিৎসা নেন এবং সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১