বুধবার ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং ৩১শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

‘জুলাইয়ে গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে পড়বে করোনা’

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বাংলাদেশে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণের মূল সময় আসবে জুলাই মাসে। চলতি মাসের বাকি দিনগুলোতে সংক্রমণের ব্যাপকতা থাকবে। এই মাস ও আগামী মাসে তা গ্রামেগঞ্জে ছড়িয়ে পড়বে। সেজন্য একটা সুস্থ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (২ ৫জুন) রাজধানীর গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে করোনাভাইরাস থেকে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর রোগ মুক্তি, তাঁর চিকিৎসা ব্যয় এবং তাঁর লেখা ‘করোনা বনাম বিশ্ব পুঁজিবাজার ২০২০-২১ বাংলাদেশ প্রেক্ষাপট’ বিষয়ে এক আলোচনা সভায় বিশিষ্ট এই চিকিৎসক এসব কথা বলেন ডা. জাফরুল্লাহ।

তিনি বলেন, আসলে সরকার একটা অন্ধকার ঘরে কালো বিড়াল খুঁজে বেড়াচ্ছে। করোনা সমস্যাটা কীভাবে সমাধান করবে, সেটা তাদের চিন্তার মধ্যে নাই। করোনার মূল প্রবাহ (পিক টাইম) তো আসবে এ মাসে বা তার পরের মাসে। যখন এটা গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে পড়বে। সেজন্য একটা সুস্থ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দরকার।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রায় একমাস ধরে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।করোনা সেরে গেলেও তাঁর অসুস্থতা পুরোপুরি যায়নি। তাঁর এ অসুস্থতার সময়ে যারা পাশে ছিলেন এবং দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনা ও বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া তাঁর খোঁজ নিয়েছেন জানিয়ে তাঁদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি জানান, জাফরুল্লাহ চৌধুরীকে চিকিৎসা দেয়া সহজ ছিল না। যেকোনো চিকিৎসা দেয়ার আগে তাঁকে সেটা সম্পর্কে ভালো করে বুঝাতে হতো। কারণ জানাতে হত। জাফরুল্লাহ মনে করেন যে গ্রামের একজন মানুষ বা শ্রমিক যে ওষুধ কিনতে পারবে না তা তিনি নেবেন না। তাঁর সিটি স্ক্যানও করা যায়নি। রেমডিসিভিরের দাম বেশি বলে সেটাও নেননি। তবে জাফরুল্লাহর মানসিক শক্তি অনেক ছিল। ঢাকা মেডিকেলে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলেও তিনি যাননি।

তিনি বলেছেন, তিনি মরলে এখানেই মারা যাবেন।

তিনি বলেন, আপনারা যদি বাজেট সংক্রান্ত লেখাটা পড়েন, তাতে কিছুটা দিকনির্দেশনা আছে। এটা জনগণ দাবি উঠানো ছাড়া, আওয়াজ উঠানো ছাড়া বাংলাদেশে কোনো দিন, স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে তো নয়ই কোনো ক্ষেত্রেই উন্নতি হবে না। সেজন্য আমাদের স্বাস্থ্য আন্দোলনটাকে শক্ত করে গড়ে তুলতে হবে।

ওষুধের খরচের বিষয়ে ডা. জাফরুল্লাহ বলেন, ওষুধের খরচের লেখাটা পরিপূর্ণ করতে পারিনি। আজকে ওষুধের দুটো সিস্টেম আছে। একটা আছে ইন্ডিকেটর প্রাইজ, যেটা আমাদের দরবেশ সালমান সাহেব খালেদা জিয়াকে (সাবেক প্রধানমন্ত্রী) পটাইয়া করেছিলেন। সেটাই এখনও বহাল আছে। জাতীয় ওষুধ নীতির নিয়ম বদলালে ওষুধের দাম অর্ধেক হবে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১