আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
ভারতের এক নাবালিকা ছাত্রীকে নৃশংসভাবে খুনের অপরাধে দেশটির বিখ্যাত সিরিয়াল কিলার কামরুজ্জামান সরকারকে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে কালনা জেলা আদালত। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অভিযোগ একাধিক।
কামরুজ্জামান মূলত ভারতের এক দুর্ধর্ষ সিরিয়াল কিলার। একাকী বা নিঃসঙ্গ মহিলারাই ছিল তার টার্গেট। খুনের ধরণ ছিল অদ্ভুত।
তিনি প্রথমে ধর্ষণ, তারপর গলায় শিকল পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করতেন। তাই অপরাধ জগতে কামরুজ্জামানের নাম চেইনম্যান।
এদিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশের আগে কাম্রুজ্জামানের বিরুদ্ধে আদালতে অসংখ্য মহিলাকে ধর্ষণ ও পরে খুন করার অভিযোগ উঠে। তবে নৃশংসতার সবকিছু ছাড়িয়ে গিয়েছিল ২০১৯ সালের ৩০ মে।
ওইদিন কামরুজ্জামান সিঙ্গারকোণ গ্রামে নিজের বাড়িতে এক নাবালিকা ছাত্রীকে একা পেয়ে তার বাড়িতে ঢুকে যায়। এরপর প্রথমে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। ছাত্রীটি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় নৃশংসভাবে কোপ দেয়। তারপর নিজের স্টাইলে গলায় চেন পেঁচিয়ে সেই নাবালিকা ছাত্রীকে খুন করে।
সোমবার (৬ জুলাই) বিচারপতি ৪টি ধারায় কামরুজ্জামানকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।
এই প্রসঙ্গে ভারতের সরকার পক্ষের উকিল জানান, তার বিরুদ্ধে চারটি ধারায় আলাদা আলাদা শাস্তি ধার্য করেছেন বিচারপতি। যেখানে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন এবং আর্থিক জরিমানা সব আছে। যাতে কোনোভাবেই আইনের ফাঁক দিয়ে ছাড় না পায় অভিযুক্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, এর আগে ৬টি খুন করেছে কামরুজ্জামান। তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগও আছে। সমস্ত তথ্য জোগাড় করে আদালতে পেশ করে কামরুজ্জামানের কঠোর শাস্তি পেতে পুলিশ সাহায্য করেছে।