বৃহস্পতিবার ৫ই মার্চ, ২০২৬ ইং ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন

‘বাংলার রাজা’র দাম ১৫ লাখ টাকা

আকাশবার্তা ডেস্ক :

ধবধবে সাদার উপর কালো রং এ গা ঢাকা। বিশাল দেহে ঢেউ খেলানো চলন। ঘরের বাইরে আনলে একটু হিংস্র হয়ে লম্বা লম্বা শিং দিয়ে মাটি খোঁচায় অনেকক্ষণ। খানা দানায়ও রাজকীয় ভাব। সব মিলিয়ে রাজকীয় স্বভাবের কারণে নাম রাখা হয়েছে “বাংলার রাজা”।

বলছিলাম কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সদর ইউনিয়নের মানিক কাজী  গ্রামের উমর আলীর ছোট ছেলে জয়নাল আবেদিনের বাড়িতে বেড়ে উঠা সংকর জাতের একটি ষাঁড়ের কথা। দৈত্যাকার এই ষাঁড়টির দৈর্ঘ্য ১২ ফুট উচ্চতা ৬ ফুটের কাছাকাছি। ওজন আনুমানিক ২৪ থেকে ২৫ মণ। বয়স প্রায় সাড়ে চার বছর। দাম চাওয়া হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। এবারে ঈদুল আজহার বাজারে “বাংলার রাজাই” কুড়িগ্রাম জেলার প্রথম এবং একমাত্র বড় ষাঁড়। এ পর্যন্ত এর ধারে কাছে নেই একটাও।

বাংলার রাজার মালিক জয়নাল আবেদিন জানান, কয়েক বছর আগে দুধের যোগান দিতে একটি গাভী কিনে আনেন তিনি। সেই গাভীর পেট থেকে এই রাজার জন্ম। নিতান্ত শখের বশে লালন পালন করতে থাকে তাকে। সম্পূর্ণ দেশী খাবার-দাবারের মাধ্যমে বড় করে তুলেছে তাকে। কোনও প্রকার রাসায়নিক খাদ্য দেয়া হয়নি। প্রয়োগ করা হয়নি কোনও প্রকার মোটাতাজা করার ওষুধ।

জয়নালের দাবী শুধুমাত্র ধানের গুড়ো, গমের ভুষি, খর আর ঘাস খাওয়ানো হয়েছে তাকে। সব মিলিয়ে প্রতিদিন ৩ থেকে ৪শ’ টাকার খাবার খায় বাংলার রাজা। 

জয়নাল আবেদিন বলেন, পরিবারের একজন সদস্য মনে করে নিজের সন্তানের মতো করে লালন পালন করে বড় করেছি রাজাকে। এখন তাকে বিক্রি করতে হচ্ছে। এমনটা ভাবতেই খারাপ লাগে। বিক্রির ঘোষণা দেয়ার পর প্রতিদিন দুই একজন করে ক্রেতা আসছে বাড়িতে। তবে মনোমতো দাম বলছে না।

তিনি আরও বলেন, করোনা মহামারী, বন্যা আর বৃষ্টি না থাকলে এতদিন ভালো দামে বিক্রি করতে পারতাম। লাভ না হলেও আসল দামে বিক্রি করতে পারবে বলে প্রত্যাশা তার।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ডা. কে,এম ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, জয়নাল আবেদিন সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে গরুটিকে প্রতিপালন করছেন, আমরা গরুটির খোঁজখবর রেখেছি। আশা করছি ন্যায্য মূল্যে তিনি গরুটি বিক্রি করতে পারবেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১