আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
দেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত (কোভিড-১৯) প্রথম রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তার ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।
এরপর থেকেই দেশে করোনাভাইরাসের আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। ২০ জুলাই পর্যন্ত দেশে ২ লাখ ৭ হাজার ৪৫৩ জন শনাক্ত রোগী নিয়ে বাংলাদেশ এখন আক্রান্তের সংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর তালিকায় ১৭তম।
আইইডিসিআরের ‘অনুমিত’ হিসাবে বাসা ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১ হাজার ৯১৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন গত ২৪ ঘণ্টায়। তাতে সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল মোট ১ লাখ ১৩ হাজার ৫৫৬ জনে।
নতুন করোনাভাইরাসে দেশে আরো ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৬৮ জনে।
জার্মানিতেও করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছিল মার্চ মাসের শুরুতে। সেখানে সংক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায় এপ্রিলের শুরুতে। ২ এপ্রিল এক দিনেই ৬ হাজার ৯০০ রোগী শনাক্ত হয় সেখানে, যা এক দিনের সর্বোচ্চ।
এরপর ধারাবাহিকভাবে কমতে কমতে জার্মানিতে দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখন ৫০০ জনের নিচে নেমে এসেছে।
রোববার নতুন করে ৩০৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হওয়ায় ইউরোপের দেশটিকে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ৮৪৫ জনে। জার্মানিতে আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯ হাজার ১৬৩ জনের।
এই তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে থাকা ভারতে প্রথম রোগী শনাক্ত হয় ৩০ জানুয়ারি। এখন ভারতে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ১৯ হাজার ৪১২ জন। মৃত্যু হয়েছে মোট ২৭ হাজার ৫১৪ জন। আন্তর্জাতিক জরিপকারী সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটার এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, বিশ্বজুড়ে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৪৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৯ জন। এছাড়া সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৮৭ লাখ ৪৮ হাজার ৯৪ জন।
আক্রান্ত ও মৃত্যু উভয় সংখ্যার দিক থেকেই বিশ্বে এখনো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট ৩৮ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ২৮৯ জনের।
আক্রান্তের হিসাবে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লাখ ৯৯ হাজার ৮৯৬ জন। এর মধ্যে ৭৯ হাজার ৫৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।