শনিবার ৩০শে মে, ২০২৬ ইং ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা

রামগঞ্জে চোরাই মোটরসাইকেল ধাওয়া করে বেকায়দায় ওসি

রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) সংবাদদাতা :

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে চোরাই মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরাঘুরি করার সময় সন্দেহভাজন দুই আরোহীকে ধাওয়া করে পুলিশ।এতে চরম বিপাকে পড়েছেন থানার ওসি তোতা মিয়া ।

চোরাই মোটরসাইকেলের মালিক স্থানীয় আ.লীগ নেতার ভাই-ভাগিনা হওয়ায় উল্টো স্থানীয় এমপি এমএ আউয়ালের তোপের মুখে পড়েছেন ওসি নিজেই।এ যেন ছেড়ে দে মা’ কেদে বাঁচি। যেখানে চোরাই মোটরসাইকেল ব্যবহারের অপরাধে তাদেরকে জেলে যাওয়ার কথা, সেখানে তাদের পক্ষ নিয়ে এমপি তুলোধুনো করেছেন খোদ ওসিকে।

এ দিকে এমপি এমএ আউয়াল, আ.লীগ নেতা মো. শাহজাহান, এমএ মমিন পাটোয়ারী ও মোহাম্মদ হোসেন রানাসহ আ.লীগের একটি অংশ পুলিশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে গত শুক্রবার রামগঞ্জ শহরে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করেছেন।

অপরদিকে থানা পুলিশ এনিয়ে জিডি লিপিবদ্ধসহ মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন। ফলে পাল্টাপাল্টি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও আ.লীগ নেতারা মুখোমুখি অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি দিনদিন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে।

সূত্রমতে, অপরাধ প্রবন রামগঞ্জে পুলিশকে দিয়ে নানা অনৈতিক আবদার মেটাতে না পারায় এমপি এমএ আউয়াল ওসি তোতা মিয়ার উপর বেজায় নাখোশ বলে জানা গেছে।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, ১২ মে রাত সাড়ে ৮টার দিকে রামগঞ্জের সোনাপুর থেকে মো. ইব্রাহিম কারী নামের এক আওয়ামী লীগ নেতা ও তার ভাগিনা মো. কাউসার নাম্বার বিহীন চোরাই মোটরসাইকেল নিয়ে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ যাচ্ছিলেন। গোপন সংবাদে এদের বিরুদ্ধে অবৈধ মালামাল বহনের অভিযোগ থাকায় পথে এসআই ফারুক আহমেদের নেতৃত্বাধীন পুলিশের মাদক বিরোধী অভিযান চলাকালে চেকপোষ্টের কবলে পড়েন তারা।

একপর্যায়ে গাড়ি থামানোর জন্য পুলিশ সিগন্যাল দিলেও আওয়ামী লীগ নেতা ইব্রাহিম ও তার ভাগিনা মো. কাউসার সিগন্যাল অমান্য করে দ্রুত বেগে পালানোর সময় পেছন থেকে পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। দুই পক্ষই দ্রুত বেগে কাটাখালি পৌঁছা মাত্রই এরই মধ্যে গাড়ি উল্টে পড়ে যায় মোটরসাইকেল আরোহীরা। আহত হয় দুইজনেই। বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় পুলিশ মোটরসাইকেল ও দুই আরোহীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

পরে পুলিশ খবর নিয়ে জানতে পারে আহত ইব্রাহিম উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ও ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন মোহাম্মদ রানার ভাই। আর মোঃ কাউসার নামের অপরজন তারই ভাগিনা। এরই মধ্যে খবর পেয়ে চেয়ারম্যান হোসেন মোহাম্মদ রানা ও মমিন পাটোয়ারীর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের বেশ কিছু নেতাকর্মী থানায় জড়ো হতে থাকেন।একপর্যায়ে ইউপি চেয়ারম্যান রানা পুলিশের সাথে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

এনিয়ে পুলিশের সাথে স্থানীয় এমপি এবং আ.লীগ নেতাদের সাথে স্নায়ু যুদ্ধ বিরাজ করছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১