লাইফস্টাইল ডেস্ক :
শহরের ব্যস্ত জীবনে একটু স্বস্তিতে থাকার জন্য অনেকে কাজের বুয়া নিয়োগ দেন। বুয়ার সাহায্যে স্ত্রী দ্রুত কর্মজীবী স্বামীর হাতে তুলে দিতে পারেন দুপুরের লাঞ্চ। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারা ব্যাচেলর জীবনে বুয়ার হাতের রান্না খেয়ে হন পড়ায় মনযোগী। কখনোবা কর্মজীবী নারী বুয়ার তত্ত্বাবধানে সন্তান রেখে অফিসে যান। এরকম অহরহ ঘটনা দেখা যায়, যেখানে বুয়ার ভূমিকা ইতিবাচক। তবে কখনও কখনও ঘটছে বিপরীত দৃশ্য। কাজের বুয়া কর্তৃক গৃহকত্রীকে সুযোগ বুঝে সুকৌশলে নেশাদ্রব্য খাইয়ে অজ্ঞান করে সর্বস্ব লুট করা কিংবা অর্থের লোভে গৃহকত্রীকে হত্যার ঘটনাও ঘটছে।
তবে কাজের বুয়া কর্তৃক নানা ধরণের অপরাধ সংগঠিত হলেও তাদের উপযুক্ত তথ্য না থাকায় অনেক সময় পুলিশের পক্ষে প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেফতার করা কষ্টসাধ্য হয়। এজন্য কাজের বুয়া নিয়োগের ক্ষেত্রে বেশকিছু পরামর্শ দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
চলুন জেনে নিই বুয়া/কাজের লোক নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলিশের পরামর্শ :
বুয়া নিয়োগের আগে তার কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্র, রঙ্গিন ছবি (সদ্য তোলা), সনাক্তকারী ব্যক্তি ও তার জাতীয় পরিচয়পত্র নিন।
তথ্য যাচাই করার জন্য নিকটস্থ থানায় কাজের বুয়ার তথ্য প্রদান করুন। তিনি যদি অতিতে কোনো অপরাধ করেন, তাহলে পুলিশ তাকে সহজে সনাক্ত করতে পারবে।
অতীতে তিনি কোথায় কাজ করেছেন সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিন এবং কাজ ছাড়ার কারণ জানার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে পূর্বের কাজের ঠিকানায় যোগাযোগ করে তথ্য সংগ্রহ করুন।
কাজের বুয়া/ কাজের লোকের পরিবারের তথ্য নিন। স্থায়ী ঠিকানা, তার পরিবারে কে কে আছেন তা জানার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে তার স্থায়ী ঠিকানায় যোগাযোগ করুন। প্রকৃতপক্ষে তিনি ঐ ঠিকানায় বসবাস করে কি না খোঁজ নিন।
বর্তমানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নগরীর সব মানুষের তথ্য সংরক্ষণের কাজ করছে। ডিএমপি কর্তৃক নির্ধারিত তথ্য ফরমে আপনার কাজের বুয়া/ কাজের লোকের তথ্য পূরণ করে থানায় জমা দিন।
কাজের বুয়া নিয়োগের পর করণীয়-