শুক্রবার ১৭ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

নাক কান কাটা অদ্ভুত মানুষ!

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক :

আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা নিজের রূপে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন না। তাই তারা সব সময় চেষ্টা করেন নিজেকে বিভিন্ন ভাবে সাজিয়ে তোলার জন্য। আর এই নিজেকে সাজানোর প্রচেষ্টায় তাঁরা এমন কিছু রপ ধারন করে ফেলেন, যে রুপে তাদের দেখতে আরও অদ্ভুত লাগে। পছন্দসই রূপ পেতে দেহের বিভিন্ন অঙ্গের বদল ঘটাতেও পিছপা হন না তারা।

মিকেল ফারো দো প্রাদো :

৪৪ বছর বয়সী ব্রাজিলের ট্যাটু শিল্পী মিকেল ফারো দো প্রাদো নিজেকে একটু ভিন্ন ভাবেই তুলে ধরতে পছন্দ করেন।এজন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গের পরিবর্তন করতেও ভালবাসেন তিনি।সারা মুখে ট্যাটু ছাড়াও চুলের বিভিন্ন পরিবর্তন, দাঁত পাল্টে ফেলা, মুখমণ্ডলের বিভিন্ন অংশে ছিদ্র ও কৃত্রিম শিং— এসব আগেই করেছিলেন তিনি।তবে নিজের চেহারা বদল ঘটাতে নাকের একাংশ কেটে  বাদ দেওয়ায় বেশি আলোচনায় এসেছেন প্রাদো।    
তার ‘শয়তানি রূপকে’ আরও জোরদার করতে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নাকের সামনের অংশ কেটে বাদ দিয়েছেন বলেই জানিয়েছেন প্রাদো। 
প্রাদুর দাবি তার যন্ত্রনা সহ্য করার শক্তি প্রবল। তাই ট্যাটু বা শারীরিক এইসব পরিবর্তন করতে তার কোনো কষ্ট হয় না।

স্যান্ড্রো :

জার্মানির ফিনস্টারওয়াল্ডের বাসিন্দা স্যান্ড্রো ট্যাটু আর প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে নিজেকে ‘কিম্ভূত কিমাকার’ বানিয়ে আলোচনায় এসেছেন। গত বছর হঠাত্ই স্যান্ড্রোর মাথায় আসে, তাঁর মুখটাকে মানুষের মাথার খুলির মতো করে তুলতে হবে। তাই ২০১৯ সালে তিনি দুই কান কেটে ফেলেছিলেন। এছাড়া তার কপাল এবং হাতের পেছনের রয়েছে ইমপ্লান্ট এবং মুখ-ও ট্যাটুতে ছাকা।
তবে এখানেই শেষ নয়। ৩৯ বছরের স্যান্ড্রোর পরবর্তি পরিকল্পনা ‘খুলি’সদৃশ মুখ করে তোলার কাজকে আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে সে নাকের ডগা কেটে ফেলবে এবং চোখে উল্কি আঁকাবে। 
জানা যায়, তাঁর এই উদ্ভট শারীরিক পরিবর্তনের আগ্রহ প্রথম জেগেছিল ২০০৭ সালে। সেই সময় তিনি টিভিতে এক ব্যক্তিকে দেখেছিলেন যার মাথায় কাটা ইমপ্লান্ট করা হয়েছিল। তারপর থেকে এখনও পর্যন্ত চেহারা পরিবর্তনের জন্য তিনি ছয় হাজার ইউরোরও বেশি খরচ করেছেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০