আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) নেত্রী অং সান সু চি এবং দেশটির রাষ্ট্রপতি উইন মিনতকে আটক করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) তাদের আটকের পর দেশটিতে এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতাদেরও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবাগত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। সু চি সহ মিয়ানমারের বেসামরিক রাজনীতিবিদদের ছেড়ে দেওয়া না হলে ‘ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ বলে সতর্ক করেন বাইডেন। এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম পলিটিকো।
বিশ্বজুড়ে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন বাইডেন। এমনকি চীনের বিরুদ্ধেও এ নীতি অটল থাকবে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ক্ষমতা নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থান তার পররাষ্ট্রনীতির জন্য ‘চ্যালেঞ্জ’ হয়ে দেখা দিয়েছে।
এর আগে সোমবার সু চি সহ ক্ষমতাসীন দলের সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে দেশটির সেনাবাহিনী। রাজধানী নাইপিডো এবং প্রধান শহর ইয়ানগনের রাস্তায় সেনা সদস্যদের টহল দিতে দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিবিসির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সংবাদদাতা জনাথান হেড।
জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এর প্রতিবাদ জানিয়েছে। এর পাশাপাশি আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।