মঙ্গলবার ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

সু চির ডান হাত উইন হেটেন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : 

এবার মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর, অং সান সু চির ঘনিষ্ঠ এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

শুক্রবার (৫ জানুয়ারি) উইন হেটেন নামে সু চির ডান হাত হিসেবে পরিচিত ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

দ্য গার্ডিয়ানের সূত্রে জানা গেছে, আমেরিকার সদ্য ক্ষমতায় বসা প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মিয়ানমারের সামরিক সরকারকে ক্ষমতা ত্যাগের আহ্বানের ঠিক একদিন পর ঘটনাটি ঘটল।

সু চির রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক লিগের ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে জানানো হয়, দলের বলিষ্ঠ নেতা উইন হেটেন বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানী নেপিদো ত্যাগ করে ইয়াঙ্গুনে যান। পরে মধ্যরাতে মেয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর তাকে নেপিদো পুলিশ স্টেশনে আটকে রাখা হয়েছে।

এদিকে ৭৯ বছর বয়সী উইন হেটেন সামরিক শানসের বিরুদ্ধে ক্যাম্পেইন করার কারণে সুদীর্ঘ সময় বন্দি থেকেছেন। উইন হেটেনকে সু চির ডান হাত হিসেবে মনে করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে মিয়ানমারের ‘ডি ফ্যাক্টো’ নেতারা কী ভাবছেন তা বিশ্লেষণ করেছেন।

এদিকে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারের একটি ইংরেজি দৈনিকে তিনি ‘সামরিক অভ্যুত্থান সুবিবেচনা প্রসূত নয়’ বলে মন্তব্য করেন।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের সেনাবাহিনী অং সান সু চি ও দেশটির মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টকে আটক করে। ওইদিন নতুন সরকারের সংসদ অধিবেশন বসার কথা ছিল। কিন্তু তাদের আটকের কারণে সেনা অভ্যুত্থানের আশঙ্কা করা হচ্ছিল। আশঙ্কা সত্যি করে সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের ঘোষণা দেয়। তারা এক বছরের জন্য জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেয়। এর মাধ্যমে দেশটিতে ২০১১ সালে থেকে যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল সেটা থেমে যায়।

এর আগে গত নভেম্বর মাসে মিয়ানমারে সাধারণ নির্বাচন হয়। নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক লিগ বিপুল জয় পায়। কিন্তু সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয় ব্যাপক কারচুপি করা হয়েছে।

পরে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রধান মিন অং লাইং কারচুপির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দেন। মূলত তার এমন ঘোষণার পর যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ (ইইউ) ১৬টি দেশের দূতাবাস মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধরে রাখার আহ্বান জানান।

এদিকে গত ৩০ জানুয়ারি মিয়ানমারের এক সেনাবাহিনী সংবিধান পরিপন্থি কিছু করা হবে না এমন শপথ করেন। কিন্তু তার ঠিক ১ দিন পর গত ১ ফেব্রুয়ারি ভোরেই সেনাবাহিনী স্টেট কাউন্সেলর সু চিসহ তার মন্ত্রীসভার ২৪ জনকে আটক করে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১