মঙ্গলবার ৫ই মে, ২০২৬ ইং ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা গণমাধ্যম সপ্তাহের স্বীকৃতিসহ সাংবাদিকদের ১৪ দফা দাবি, কর্মসূচি ঘোষণা লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

সব নেতাই মাস্কবিহীন!

আকাশবার্তা ডেস্ক :

দেশে এখনো চলছে করোনা মহামারি। গত ২৪ ঘণ্টায়ও ১৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু ঢাকা বিভাগে ৩৮ জনের। এ পরিস্থিতে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক কর্মসূচি। কেউ যেন মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। শারীরিক দূরত্ব। পড়ছেন না মাস্কও। গাদাগাদি অবস্থান অতীতের ন্যায়।

রোববার (২২ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি অনুষ্ঠানে দেখা গেছে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সাংবাদিক নেতাদের মাস্কবিহীন অবস্থায় পাশাপাশি বসে কর্মসূচি পালন করতে।

দেশের অন্যতম রাজনৈতিক বিরোধী দল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন এসময় তার মুখেও মাস্ক দেখা যায়নি। যদিও তিনি অনুষ্ঠান স্থলে মাস্ক পড়েই এসেছিলেন। যখন গণমাধ্যমের ক্যামেরার রেকর্ড শুরু হয় তখন তিনি মাস্ক খুলে ফেলেন। এসময় তার বাম পাশে ছিলেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, ডিইউজে সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান তখন এদেরও কারো মুখে মাস্ক দেখা যায়নি। মাস্ক ছিলো না বিএনপি মহাসচিবের ডানে বসা নয়া দিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিনের, কবি আব্দুল হাই শিকদারের,ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলামের। পেছনের সারিতে বসা ৩/৪ জন সাংবাদিক নেতাকেও দেখা গেছে মাস্কবিহীন।

ওই অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা গত ১৪ বছর যাবৎ দেখছি, আমরা প্রেসক্লাবের বাহিরে দাঁড়াবো সেটা দিচ্ছে না। আমরা আমাদের পার্টি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলবো, সেটাও তারা দিচ্ছ না। অর্থাৎ যখন জনগণ থেকে একটা সরকার বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তখন ওই পাওয়ার দিয়ে টিকে থাকার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। সরকার সেটাই করছে। আমাদের দাবি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পরিচালনায় একটি সুষ্ঠু নির্বাচন।

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ার বলেন, একটা জাতির সবচেয়ে বড় সর্বনাশ হলো সেই দেশের নাগরিকদের সৎ নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষমতা খর্ব করা। সেই জাতির সামনে আর কোনো ভবিষ্যৎ থাকে না। এই সরকার এই সর্বনাশটা করেছে, জাতিকে সৎ নেতা নির্বাচনের ক্ষমতাকে খর্ব করেছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মে ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« এপ্রিল    
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১