আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
কাবুল থেকে অপহরণ করা হয়েছে ইউক্রেনের একটি বিমান। পরে বিমানটিকে ইরানে উড়িয়ে নিয়ে য়াওয়া হয়েছে বলে খবর। তবে কারা ওই অপহরণের পেছনে রয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিমানটিতে ছিলেন ৮৩ জন যাত্রী।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, আফগানিস্তান থেকে বিমানটি ইউক্রেনের নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করছিল। রবিবার সেটিকে কিছু অস্ত্রধারী অপহরণ করে ইরানে নিয়ে যায়। এমনটাই দাবি করেছেন ইউক্রেনের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভগেনি ইয়েনিন।
ইউক্রেনের মন্ত্রী রুশ সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, রোববার একটি সেনাবাহিনীর বিমান ৩১ ইউক্রেনিয়ানসহ ৮৩ জনকে নিয়ে আফগানিস্তানের কাবুল থেকে কিয়েভে পৌঁছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানায়, সেখানে ১২ জন সামরিক সদস্য আসেন। যদিও সাংবাদিক ও অন্য কিছু লোকদের অনুরোধের ফলে তাদেরও নিয়ে আসা হয়েছে।
পররাষ্ট্র কার্যালয় জানায়, এখনও শতাধিক ইউক্রেনিয়ান কাবুলে দেশে ফেরতের জন্য অপেক্ষা করছেন।
আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটের সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আগামী সেপ্টেম্বরের ১১ তারিখের মধ্যে সব সেনা প্রত্যাহারের সে ঘোষণার পর থেকেই দেশটির প্রাদেশিক সব শহর দখল করতে শুরু করে তালেবান।
১৫ আগস্ট কাবুল দখলের মধ্য দিয়ে দেশটির ক্ষমতা নেয় তালেবান। তার আগের দিন থেকে যুক্তরাষ্ট্র কাবুল বিমানবন্দরে ৬ হাজার সেনা মোতায়েন করে তাদেরসহ পশ্চিমা দেশগুলোর নাগরিকদের উদ্ধার কাজ শুরু করে।
তবে বিমানবন্দরে হাজার হাজার আফগান দেশ ছাড়ার জন্য ভিড় করলে একটা অরাজক পরিস্থিতির তৈরি হয়। তালেবানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আর সময় আছে এক সপ্তাহ।