রবিবার ১লা মার্চ, ২০২৬ ইং ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

কমলনগরে নদীর তীর রক্ষা বাঁধে ধ্বস, কাজে অনিয়মের অভিযোগ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

যথাযথভাবে ব্লক স্থাপন এবং জিও ব্যাগ ড্রাম্পিং না করাসহ নানা অনিয়ম ও নিম্মমানের কাজের কারণে লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধে ধ্বসে গেছে। গত এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে নদী তীর রক্ষা বাঁধের উত্তর অংশ ধ্বসে যায়। এতে ফের নদী ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দেয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন কমলনগরের বাসিন্ধারা। বাঁধ ভেঙে নদীতে পড়ায় স্থানীয়দের মাঝে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ।

শুরু থেকে নির্মাণ কাজে বিলম্ব, কাজে কচ্ছপ গতি, কারণে-অকারণে দফায় দফায় কাজ বন্ধ রাখা ও নিম্মমানের কাজের অভিযোগ উঠে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। এসব পরিস্থিতির কারণে স্থানীয়রা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নির্ধারিত ১ কি.মি. বাঁধের কাজ প্রায় শেষপর্যায়ে। এর মধ্যে কাজ শেষ হতে না হতেই বাঁধের উত্তর অংশে প্রায় ২০০ মিটার এলাকা ধ্বসে পড়েছে। ভেঙ্গে গেছে বেশ কিছু অংশ। বাঁধ ভেঙে ব্লক নদীতে পড়ে যাচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ নির্মাণ কাজের প্রথম দিকে নদীর তীর রক্ষা বাঁধের দক্ষিণ অংশে জিও ব্যাগ দিয়ে ড্রাম্পিং করা হয়েছে। কিন্তু বাঁধের উত্তর অংশের প্রায় ২০০ মিটার এলাকায় জিও ব্যাগ দিয়ে ড্রাম্পিং করা হয়নি। যে কারণে বর্ষা শুরু হওয়ায় সাথে সাথে বাঁধে ধ্বস নেমেছে। নদীর তীর রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে যাচ্ছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুদ্দিন আজম বলেন, দ্রুত সময় মধ্যে জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ যথাযথ উদ্যোগ না নিলে নদী তীর রক্ষা বাধাঁ মারাতœক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এজিএম মাসুদ রানা বলেন, ভালো বালু প্রাপ্তিতে অসুবিধার কারণে সামান্য কিছু অংশে বালুভর্তি জিও ব্যাগ যথাসময়ে ডাম্পিং করা সম্ভব হয়নি। যে কারণে তীব্র জোয়ারে বাঁধের ওই অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে ফের জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী গাজী ইয়ার আলী বলেন, ড্রাম্পিং না করে ব্লক স্থাপন করা হয়েছে। এতে প্রায় ১৫০ মিটার বাঁধে ধ্বস নেমেছে। নদীর ভিতরে ব্লক দিয়ে গার্ড লাইন দেওয়া হয়; ব্লকের পরে ৪০ মিটার জিও ব্যাগ ডাম্পিং করার কথা কিন্তু তা না করায় বাঁধ নদীতে নেমে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বিষয়টি দেখছে; আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ সংস্কার হবে।

২০১৪ সালে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় মেঘনা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে ১৯৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয় সরকার। এ বরাদ্দ দিয়ে রামগতির আলেকজান্ডার এলাকায় সাড়ে তিন কিলোমিটার, রামগতিরহাট মাছঘাট এলাকায় এক কিলোমিটার এবং কমলনগর মাতাব্বরহাট এলাকায় এক কিলোমিটার নদীর তীর রক্ষায় বাঁধ নির্মাণের কথা। ২০১৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারিতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ১৯ ইঞ্জিনিয়ারি কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন আলেকজান্ডার এলাকায় ভাঙন রোধে বাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করে সাড়ে তিন কিলোমিটার সফলভাবে বাস্তবায়ন করে।

 

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

মার্চ ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ফেব্রুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১