সর্বশেষ:
শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া

বেড়েই চলছে পেঁয়াজের দাম

অর্থ বাণিজ্য ডেস্ক :

ভারত সরকার পেঁয়াজ রপ্তানিতে ৪০ শতাংশ শুল্কারোপের ঘোষণার পরপরই অস্থির হয়ে উঠেছে বাংলাদেশের পেঁয়াজ বাজার। গত তিনদিনের ব্যবধানে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ২০ টাকা।

মঙ্গলবার শান্তিনগর ও মালিবাগ বাজার ঘুরে দেখা গেছে প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়, যা গত শনিবার ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। তবে অন্যদিকে আমদানি করা পেঁয়াজের সঙ্গে সঙ্গে দেশি পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত শনিবার ও ছিল ৮০ টাকা।

রাজধানীর মালিবাগ বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা সোহেল মিয়া বলেন, দেশি পেঁয়াজ ও আমদানি করা পেঁয়াজের দাম গত দুদিনে ১০ টাকা বেড়েছে। শুধু খুচরায় নয়, রাজধানীর সবচেয়ে বড় পাইকারি শ্যামবাজারেও পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। শনিবার ওই বাজারে প্রতি কেজি আমদানি করা পেঁয়াজের দাম ছিল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা, যা এখন ৬০ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। একইভাবে দেশি পেঁয়াজ পাইকারিতে কেজিপ্রতি ৭৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পেঁয়াজ আমদানিকারক বলেন, ভারতে প্রতিকেজি পেঁয়াজের দাম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। এর সঙ্গে ৪০ শতাংশ শুল্ক ১২-১৪ টাকা যোগ করলে প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় দাঁড়ায়। ভারতের মহারাষ্ট্র থেকে দেশের বন্দর পর্যন্ত আনতে খরচ হচ্ছে প্রতি কেজি ৮ টাকা। দেশের অভ্যন্তরের খরচ ও ঘাটতি নিয়ে পেঁয়াজের দাম হচ্ছে প্রায় ৬০ থেকে ৬২ টাকা।

এদিকে সরকারের বাজার মনিটরিং প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) প্রতিবেদনেও একই চিত্র উঠে এসেছে। টিসিবির তথ্য মতে, ২১ আগস্ট রাজধানীতের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। আমদানি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে। যা এক মাস আগেও ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা ও ৩০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। তিন বছর আগের অর্থাৎ ২০২০ সালে এই দিনে দেশি পেঁয়াজের মূল্য ছিল ৩৪ থেকে ৪৫ টাকা কেজি। আর আমদানি পেঁয়াজের কেজি ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা। অর্থাৎ তিন বছরের ব্যবধানে কেজিতে দেশি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৫৫ টাকা। আর আমদানি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ৩৫ টাকা।

কৃষি সম্প্রারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশে ৩৫ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে। এর আগের বছর ৩৪ লাখ টন। ২০১৯-২০ অর্থবছর উৎপাদন হয়েছিল ২৬ লাখ টন। অর্থাৎ, গত তিন অর্থবছর ধারাবাহিকভাবে দেশে পেঁয়াজের উৎপাদন বেড়েছে।

কৃষি খাতের বিশ্লেষকরা বলছেন, গত কয়েক বছরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানিতে মাঝে মধ্যেই অনিশ্চয়তার পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশকে। তাই দেশে পেঁয়াজ চাষে আরো বেশি জোর দেয়া হয়। কয়েক বছর ধরেই পেঁয়াজের ভালো দাম পাওয়ায় দেশের কৃষকেরা চাষে ঝুঁকছেন। তাতে উৎপাদন বাড়ছে। সা¤প্রতিক বছরগুলোতে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি কমতে শুরু করেছে। তবে, ব্যবসায়ীদের মনোভাবের পরিবর্তন হয়নি। পর্যাপ্ত পেঁয়াজ থাকার পরেও শুল্কায়নের খবরে দাম বাড়াচ্ছেন তারা।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

September 2026
S S M T W T F
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
2627282930