মঙ্গলবার ১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ ইং ৩০শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
তারেক রহমানের সঙ্গে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময় ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় উপজেলা পর্যায়ে প্রতাপিয়ানদের দাপট, ৩৮টি পুরস্কার অর্জন লক্ষ্মীপুরে বিএনপির এ্যানি-খায়েরসহ ৪৩ জনের মনোনয়নপত্র দাখিল বাংলাদেশের ৪ ভিসাকেন্দ্র বন্ধ ভারতে, কলকাতায় বিক্ষোভ ডিসি-এসপিদের সঙ্গে বৈঠকে ইসি বিএনপি নেতার ঘরে তালা মেরে দৃর্বৃত্তদের আগুন, শিশু কন্যার মৃত্যু চন্দ্রগঞ্জে দোকানঘর ভাঙচুরের ঘটনায় আদালতে মামলা : তদন্ত ডিবিতে কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে মহান বিজয় দিবস উদযাপন  বাংলাদেশে মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি মা-মেয়ে হত্যা : সুইচ গিয়ার ছুরিটিও ছিল চুরি করা, আদালতে স্বীকারোক্তি

রাজনীতিটা এখন ডাস্টবিনের মতো হয়ে গেছে

আকাশবার্তা ডেস্ক : 

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, বর্তমান রাজনীতি এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যা এক ধরনের ‘ডাস্টবিন’-এর মতো।

তিনি বলেন, একজন শিক্ষিত নারী, যিনি সম্মানজনক পেশায় কর্মরত এবং সুপরিচিত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছেন, কেন এই নোংরা পরিবেশে নামবেন -এ প্রশ্ন নিজেই প্রাসঙ্গিক।

তিনি আরো বলেন, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ার উত্থান, সেলফোনের সহজলভ্যতা এবং বট আইডি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহারের ফলে রাজনীতি পুরোপুরি অশ্লীল হয়ে গেছে।

বিএনপি এবার যে ২৩৭ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে, তাদের মধ্যে ১০ জন নারী রয়েছেন। বিশ্লেষকরা বলেছেন- রাজনীতিতে নারী নেতৃত্ব কমছে। সেই সঙ্গে বলা হচ্ছে, নারী নেতৃত্বের ৩৩ শতাংশও পূরণ করেনি কোনো কোনো দল।

বেশ কিছু জরিপেও এই বিষয়টি উঠে এসেছে। আপনিও একজন নারী। নারী নেতৃত্বকে কি আরেকটু প্রাধান্য দেওয়া উচিত ছিল কিনা? আসলে কমতি কোন জায়গায়? যোগ্যতার মাফকাঠিতে কমতি নাকি রাজনৈতিক যে পরিবেশ সেদিক থেকে কমতি -এমন প্রশ্নের জবাবে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে রুমিন ফারহানা এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, বড় বড় পলিটিক্যাল পার্টি যেগুলো আছে, সেখানে কিন্তু যোগ্য নারী নেতৃত্বের খুব একটা অভাব আছে বলে মনে করি না।

হয়তো পুরুষের তুলনায় তাদের সংখ্যা কম। কিন্তু সেটা এত কম নয় যে, মাত্র ৩ বা ৪ শতাংশ নমিনেশন তারা পাবে। ১০০ এর মধ্যে তিন বা চারজন, বাট দ্যাট ইজ টু লো একচুয়ালি। ‘বড় দলগুলো ছোট দলগুলোকে একীভূত করে রাজতন্ত্র কায়েম করতে চায় এবং এজন্যই জোটের বিরোধিতা, আরপিও সংশোধনের বিরোধিতার বিষয়টি উঠে এসেছে’ এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারীর এমন বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যারা এবার জোটের প্রার্থী হবেন, তাদের যদি দলের নিবন্ধন থাকে, তাদের নিজের দলের মার্কায় নির্বাচন করতে হবে। এ বিষয়টির পক্ষে-বিপক্ষে দুরকমই যুক্তি আছে।

তিনি বলেন, সরকারের তরফে যেটা বলা হয়েছে- ছোট দলগুলো কখনো বিকশিত হতে পারে না। তারা সবসময় দেখা যায় হয় নৌকার সমর্থন নিয়ে পার্লামেন্টে যাচ্ছে। কখনো ধানের শীষের সমর্থন নিয়ে পার্লামেন্টে যাচ্ছে। এতে বাংলাদেশে দ্বিদলীয় ব্যবস্থা আরো স্ট্রং হতে থাকে। ছোট ছোট দল অনেকগুলো আছে কিন্তু তারা সেভাবে ইন্ডিপেন্ডেন্টলি ফ্লারিশ করতে পারে না। যেন দলগুলো ফ্লারিশ করতে পারে, সে কারণেই বলা হয়েছে এবার যার মার্কা, সেই মার্কাতেই তাকে নির্বাচন করতে হবে। বিএনপির এই নেত্রী আরো বলেন, যদি কোনো দলের নিবন্ধন ও প্রতীক থাকে, তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি আপনার রাজনীতি কেন করছেন না? মানে আপনি একটা দলের মার্কা নিয়েছেন এবং সেই দলের রাজনীতি আপনি ধারণ করেন, না হলে তো আপনি ধানের শীষ বা নৌকার দলই করতে পারেন। তাহলে একটা ছোট দল রাখবার প্রয়োজনটা কি?

এই কথাগুলো সরকারের তরফ থেকে এসছে। অন্যদিকে বিএনপির তরফ থেকে খুব ক্লিয়ারলি বলা হয়েছে- লাস্ট মোমেন্টে এসে যে আরপিওটা সংশোধন হলো, দীর্ঘদিন যারা এই বড় দলের সঙ্গে থেকে রাজনীতি করেছে, তাদের তো একটা এক্সপেক্টেশন আছে যে আমরা পার্লামেন্টে যেতে চাই।

আমরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হতে চাই। সেই এক্সপেক্টেশন থেকে হয়তো তারা বড় দলগুলোর সঙ্গে জোট করেছে এবং বড় দলগুলোও একসময় দেখিয়েছে যে আমার সঙ্গে এতগুলো রাজনৈতিক দল আছে। এতগুলো দল মিলে একটা জোট তৈরি হয়েছে। এটার উভয়দিকেই তর্ক আছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জানুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« ডিসেম্বর    
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১