শনিবার ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ইং ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে আগুনে পুড়ে ৯ দোকান ছাই, ৭৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা চাই নবনির্বাচিত ২৯৭ সংসদ সদস্যের গেজেট প্রকাশ নির্বাচনে ভোটের বক্স নিয়ে যাবে নদীর দিকে, আশঙ্কা জেএসডি নেতার ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির মহিমান্বিত রজনী-শবে বরাত জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশ পাকিস্তান হয়ে যাবে : ফজলুর রহমান লক্ষ্মীপুরে ৬ সিলসহ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার : বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন যাদের জন্য দেশে আসতে পেরেছেন, তারা জুলাইয়ের অবদান অস্বীকার করছেন : ডা. শফিকুর রহমান লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে নিখোঁজের ৭দিন পর কলেজ ছাত্রের লাশ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘চিতা’ গ্রেপ্তার

লক্ষ্মীপুরে এবার শহীদ মিনার নির্মাণ প্রকল্পের টাকাও আত্মসাৎ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

চোর না শুনে ধর্মের কথা। তাই শহীদদের সন্মান জানানোর জন্য জেলা পরিষদ কর্তৃক বরাদ্দকৃত শহীদ মিনার নির্মাণ প্রকল্পের এক লক্ষ টাকাও খেয়ে ফেলেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা। ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে।

জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়কে এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজের অনুমতিপত্রের স্মারক নং- লজেপ/৩১১। বিপরীতে তিন’শ টাকার ননজুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা হিসেবে স্বাক্ষর করা হয়েছে।
জেলা পরিষদের স্মারক নং-৪৬.৪২.৫১০০. ০০০.১৪.০৪৭-১৫০৮ নথিতে সহকারী প্রকৌশলী কর্তৃক স্বাক্ষর করা হয় ২০ জানুয়ারী ২০১৬ তারিখে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বরাদ্দ পাওয়ার ২১ মাস পরেও মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন শহীদ মিনার নির্মাণের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুরনো শহীদ মিনারটি পূর্বের জায়গায় এখানো দাঁড়িয়ে আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি হিসেবে কাগজ কলমে স্বাক্ষর রয়েছে কালিদাসেরবাগ গ্রামের গোলন্দাজ বাড়ির মাষ্টার মোশাররফ হোসেনের নাম।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, কালিদাসেরবাগ গ্রামের গোলন্দাজ বাড়ির আলী আহম্মদ, সরা বাড়ির কাজম উদ্দিন, কাছারি বাড়ির আব্দুস সহিদ ও সাবেক ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোশাররফ হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রশিদ, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী ও এসও এই চারজনে মিলে কাজ না করে পুরো এক লক্ষ টাকা হজম করে ফেলেছেন।

তবে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী অফিসে সংরক্ষিত মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রকল্প নামক ফাইলে তিনশত টাকার স্ট্যাম্প, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সকল সদস্যের স্বাক্ষর, শহীদ মিনার নির্মাণের পাথরে খোদাই করা নাম ফলক এবং একটি নতুন শহীদ মিনারের ছবি ঝলঝল করছে।
মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক বলেন, সমাজের ভালো মানুষরূপী এসব লোকেরা শহীদ মিনার নির্মাণের টাকা আত্মসাতের জন্য এত নাটক করতে পারে, তা পূর্বে জানা ছিলনা।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী ও এসও নুরুল আলমকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি অফিসের বাইরে আছেন বলে বার বার লাইন কেটে দেন।

 

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জানুয়ারি    
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮