মঙ্গলবার ১৪ই এপ্রিল, ২০২৬ ইং ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে ১৪৪ ধারা ভেঙে মিছিল :   বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জুলাই যোদ্ধা ফোর্সের সংঘর্ষ : পুলিশসহ আহত ১০ চট্টগ্রাম বিভাগীয় শ্রমিক দলের সদস্য হলেন মনির আহম্মদ রাজন কফিলউদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ঈদের আগে অস্থির মুরগির বাজার, সবজিতে স্বস্তি আজ যে দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা ফ্লাইট বাতিলে ভিসার মেয়াদ শেষ হলে সহায়তা করবে সরকার চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্র-গুলিসহ ৩ ডাকাত গ্রেপ্তার চন্দ্রগঞ্জ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়ার মাহফিল ভূমিকম্প মোকাবিলায় ঢাকায় ১ লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুতের নির্দেশ ইসরায়েলে ও যুক্তরাষ্ট্রে এমন হামলা হবে, যা তারা আগে কখনো দেখেনি

লক্ষ্মীপুরে এবার শহীদ মিনার নির্মাণ প্রকল্পের টাকাও আত্মসাৎ

আকাশবার্তা ডেস্ক :

চোর না শুনে ধর্মের কথা। তাই শহীদদের সন্মান জানানোর জন্য জেলা পরিষদ কর্তৃক বরাদ্দকৃত শহীদ মিনার নির্মাণ প্রকল্পের এক লক্ষ টাকাও খেয়ে ফেলেছেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকসহ প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা। ঘটনাটি ঘটেছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে।

জানা যায়, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থে শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়কে এক লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজের অনুমতিপত্রের স্মারক নং- লজেপ/৩১১। বিপরীতে তিন’শ টাকার ননজুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে চুক্তিনামা হিসেবে স্বাক্ষর করা হয়েছে।
জেলা পরিষদের স্মারক নং-৪৬.৪২.৫১০০. ০০০.১৪.০৪৭-১৫০৮ নথিতে সহকারী প্রকৌশলী কর্তৃক স্বাক্ষর করা হয় ২০ জানুয়ারী ২০১৬ তারিখে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বরাদ্দ পাওয়ার ২১ মাস পরেও মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন শহীদ মিনার নির্মাণের কোনো অস্তিত্ব নেই। পুরনো শহীদ মিনারটি পূর্বের জায়গায় এখানো দাঁড়িয়ে আছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি হিসেবে কাগজ কলমে স্বাক্ষর রয়েছে কালিদাসেরবাগ গ্রামের গোলন্দাজ বাড়ির মাষ্টার মোশাররফ হোসেনের নাম।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন, কালিদাসেরবাগ গ্রামের গোলন্দাজ বাড়ির আলী আহম্মদ, সরা বাড়ির কাজম উদ্দিন, কাছারি বাড়ির আব্দুস সহিদ ও সাবেক ইউপি সদস্য আলতাফ হোসেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মোশাররফ হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহবুবুর রশিদ, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী ও এসও এই চারজনে মিলে কাজ না করে পুরো এক লক্ষ টাকা হজম করে ফেলেছেন।

তবে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী অফিসে সংরক্ষিত মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় প্রকল্প নামক ফাইলে তিনশত টাকার স্ট্যাম্প, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সকল সদস্যের স্বাক্ষর, শহীদ মিনার নির্মাণের পাথরে খোদাই করা নাম ফলক এবং একটি নতুন শহীদ মিনারের ছবি ঝলঝল করছে।
মুসলিমাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এক অভিভাবক বলেন, সমাজের ভালো মানুষরূপী এসব লোকেরা শহীদ মিনার নির্মাণের টাকা আত্মসাতের জন্য এত নাটক করতে পারে, তা পূর্বে জানা ছিলনা।

এ ব্যাপারে বক্তব্য জানার জন্য জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী ও এসও নুরুল আলমকে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি অফিসের বাইরে আছেন বলে বার বার লাইন কেটে দেন।

 

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০