
বিনোদন ডেস্ক :
শুদ্ধ উচ্চারণ, চমৎকার বাচনভঙ্গি এবং নান্দনিক কথামালা দিয়ে উপস্থাপনায় দারুণ একটি জায়গা করে নিয়েছেন দিলরুবা সাথী। এরইমধ্যে এই কন্যা নিজের ক্যারিয়ারের সাতটি বছর অতিক্রম করেছেন। উপস্থাপক হিসেবে সাথীর শুরুটা হয়েছিলো বিটিভিতে নাচের অনুষ্ঠানে। একই চ্যানেলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সার্ধশত বার্ষিকীতে বিশেষ একটি তথ্যচিত্রের উপস্থাপনা করে প্রথমবারের মতো আলোচিত হন তিনি। এরপর বিটিভিসহ বেশ কয়েকটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে নাচ, উপস্থাপনা এবং অভিনয়ে ব্যস্ত থাকেন সাথী। তিনি চ্যানেল আইতে নিয়মিত উপস্থাপনা করে আসছেন ২০১১ সাল থেকে।
এখানে নিজের ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই সাথী ‘তারকাকথন’, ‘গানে গানে সকাল শুরু’ এবং ‘গানের উৎসব’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন। এছাড়া বিশেষ বিশেষ দিবসের অনুষ্ঠানও উপস্থাপনা করেন সাথী। একই চ্যানেলে পাঁচ বছর ধরে দিলরুবা সাথীর নান্দনিক উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানগুলোও বেশ দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে।
তিনি সবসময়ই চেষ্টা করেন খুব সহজ, সাবলীলভাবে উপস্থাপনা করতে। দিলরুরা সাথী অভিনীত প্রথম নাটকটি নির্মাণ করেন মাসুদ চৌধুরী। তবে তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য নাটক হচ্ছে ‘হৈমন্তী’। এটি নির্মাণ করেছিলেন আউয়াল চৌধুরী। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করে সাথী বেশ প্রশংসিত হয়েছিলেন। সর্বশেষ তিনি রেজানুর রহমানের নির্দেশনায় ‘সাইরেন’ নাটকে অভিনয় করেন। অভিনয়ের চেয়ে উপস্থাপনাতেই সাথী বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিজেকে এখনো উপস্থাপক বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি না।
কারণ আমি এখনো উপস্থাপনা শিখছি। অনেকেই যখন বলেন- আপনি আমার প্রিয় উপস্থাপক। বিষয়টি আমাকে একটু বিব্রত করে। আমি ভাবি, সত্যিই কী আমি ভালো উপস্থাপনা করি! তবে অর্জনের বিষয় এই যে, কিছু দর্শকের তো আমার উপস্থাপনা ভালো লাগে। কিছু মানুষ তো হাসি মুখে অন্তত কাছে এসে কথা বলে উপস্থাপনারই কারণে। আমি সত্যিই গর্বিত একজন উপস্থাপক হিসেবে।’ দিলরুবা সাথী তার আজকের অবস্থানের জন্য কৃতজ্ঞ চ্যানেল আই পরিবারের কাছে।