মঙ্গলবার ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

কাঁচামালসহ ওষুধকে প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আকাশবার্তা ডেস্ক :

কাঁচামালসহ ওষুধকে প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার ( ০১ জানুয়ারি) ২৩তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনের সময় এ ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা মুন্সীগঞ্জে ওষুধের কাঁচামালের প্লান্ট স্থাপন করছি। এই প্রোডাক্ট বিদেশে রপ্তানি হয় এবং তা দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখছে। তাই আমি ২০১৮ সালকে কাঁচামালসহ ওষুধকে প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে ওষুধ শিল্প একটি উচ্চ প্রবৃদ্ধির শিল্প। দেশের চাহিদার ৯৮ ভাগ যোগান দিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকাসহ সারা বিশ্বব্যাপী ১শর বেশি দেশে আমাদের এই ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে।

তিনি বলেন, ওষুধ শিল্পের উন্নতির লক্ষ্যে আমরা মুন্সীগঞ্জে একটা কাঁচামাল উৎপাদন প্লান্ট স্থাপনের কাজ শুরু করেছি। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এই পণ্যকে প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘সবাইকে হ্যাপি নিউ ইয়ার জানাই। নতুন বছরের শুভেচ্ছা। আশা করি, নতুন বছর উন্নয়ন ও প্রগতি নিয়ে আসবে।’
আমার বিশ্বাস তৈরি পোশাক শিল্পের মতো এই শিল্প অচিরেই আমাদের জন্য, দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনবে।

তিনি বলেন, আমরা এখন বিভিন্ন দেশে পণ্য রপ্তানি করছি। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে আমরা রপ্তানি আয় ৩৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার করতে পেরেছি। আমাদের আরো এগিয়ে যেতে হবে। নতুন নতুন পণ্য যেমন তৈরি করতে হবে, তেমন সেগুলো রপ্তানি করতে নতুন নতুন বাজার খুঁজে বের করতে হবে।

বঙ্গবন্ধুকন্যা আরও যোগ করেন, দেশের ব্যবসা বাণিজ্য প্রসারে বাণিজ্য মেলা ভূমিকা রেখে চলছে। দেশি বিদেশি ক্রেতাদের পছন্দ-অপছন্দ, রুচি, চাওয়া জানা যাচ্ছে এই মেলার মাধ্যমে।

বঙ্গবন্ধুর কথা টেনে তিনি বলেন, দেশ স্বাধীন করার উদ্দেশ্য ছিলো নিপীড়িত ও শোষিত মানুষের জন্য দেশকে গড়ে তোলা। মুক্তিযুদ্ধের পর দেখা গেলো শিল্প কলকারখানাগুলো সব ছিলো পাকিস্তানিদের। তারাতো দেশ ছেড়ে চলে গেলো। সেগুলো চালু করার জন্য বঙ্গবন্ধু শিল্পকলকারখানা গুলোকে জাতীয়করণ করলেন। মা যেমন রুগ্ন শিশুকে লালন করে বড় করে সেভাবেই এসব কলকারখানা আবার বড় করা হলো। এরপর যারা ক্ষমতায় এসেছে তারা নিজেদের আখের গোছাতে যতটা ব্যস্ত ছিলো দেশের জন্য ততটা ছিলো না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশ গড়তে এসেছি, নিজের ভাগ্য গড়তে না। প্রধানমন্ত্রী অল্প সময়ের দায়িত্ব। এটুকু কাজে লাগাতে চায়। বাংলাদেশের মানুষের জীবন কতটা উন্নত করতে পারলাম সেটা দেখতে চাই। নিজের ভাগ্য বদলাতে আসিনি। আমরা চাই প্রতিটি নাগরিক যেন বিশ্বের যে কোনো জায়গায় গেলে বলতে পারে, আমরা বাংলাদেশি। আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারি। নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতু করার সিদ্ধান্ত বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বদলে দিয়েছে। আমরা কি সারাজীন ভিক্ষুক থাকার জন্য দেশ স্বাধীন করেছি।

শহরের পাশাপাশি গ্রামের এখন নজর দেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা এখন নজর দিচ্ছি গ্রামে। তাদের উন্নয়ন, তাদের আয় ক্ষমতা, তাদের পণ্য ক্রয় ক্ষমতা বাড়াতে আমরা পদক্ষেপ নিয়েছি। আরেকটি হচ্ছে যোগযোগ ব্যবস্থা। দেশের উন্নয়নে নতুন নতুন বাজার, নতুন নতুন পণ্য , মানোন্নয়ন ও ব্র্যান্ডিং করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

শেখ হাসিনা এসময় আরও বলেন, বিশাল সমুদ্র সীমা আমরা অর্জন করেছি। এই সমুদ্র সম্পদকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। এই সম্পদ আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যে বিরাট অবদান রাখতে পারে। আমরা সেদিকে লক্ষ্য রেখে কাজ করছি।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১