বিশেষ প্রতিনিধি :
দখল আর দূষনে প্রায় বিলুপ্ত নোয়াখালী খাল পুর্নখননে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামীকাল ৪ জানুয়ারী ভিডিও কনফারেন্সের মধ্য দিয়ে খাল পুর্নখনন কাজের উদ্বোধন করবেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খালটি পুর্নখনন করা হলে দূর হবে নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের দুঃখ।
জেলাবাসী বাঁচবে দুর্বিসহ জলাবদ্ধতা ও কৃত্রিম বন্যার হাত থেকে। প্রাণচাঞ্চল্য ফিরবে কৃষিতে। বর্তমান সরকারের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে জেলাবাসী।
জানা যায়, নোয়াখালী খাল, বেগমগঞ্জ-মহেন্দ্র খাল, বেগমগঞ্জ-সোনাইমুড়ী খাল, চৌমুহনী-ছাতারপাইয়া খাল, চৌমুহনী-ফেনী খাল, সোনাইমুড়ী-দেওটি খাল, বেগমগঞ্জ-দাদনা খাল, বরোপিট খাল, আলগীর খাল, বামনী নদীসহ শাখা খাল ছোট বড় মিলে নোয়াখালীতে রয়েছে ২৮৮ খাল। দখলের প্রতিযোগিতার কবলে পড়ে বছরের পর বছর ধরে খালগুলোর বেশির ভাগই বিলুপ্তির পথে। এক সময়ের খরস্রোতা খালগুলো এখন কোথাও কোথাও নালায় পরিণত হয়েছে।
এছাড়াও উপকূলীয় অঞ্চলে পলিমাটি জমে খালের তলা উঁচু হয়ে যাওয়ার কারণে পানি নিস্কাষনের পথরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতে দেখা দেয় ভয়াবহ জলাবদ্ধতা।
এদিকে গত ২৫ ডিসেম্বর সেনাবাহিনীর প্রকৌশল বিভাগের প্রধান জেনারেল ছিদ্দিকুর রহমানকে সাথে নিয়ে কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক এলাকার খাল পুর্নখননের ফলক নির্মাণের স্থান পরিদর্শন করেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন জানান, প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের জুন মাসে। এর মধ্যে রয়েছে খাল খনন ১৮২ কিঃ মিঃ, বামনী নদীর ৭ কিঃ মিঃ ড্রেজিং, একটি রেগুলেটর নির্মাণ, দুটি ড্রেনেজ সুইস নির্মাণ, ১০ কিঃ মিঃ নদীর তীর নির্মাণ, সাড়ে ১১ কিঃ মিঃ বাঁধ নির্মাণ, ১১’শ ৫২ মিটার লুপকাট খনন।