একের পর এক কর্মসূচি দিয়েও মাঠে নামতে পারছে বিএনপি। রাজধানীতে তেমন কোনো বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে দেখা যায়নি। তবে এ অবস্থায় দলের কর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, সারা দেশে দলের কমিটি জোরদার করাসহ সাংগঠনিক দুর্বলতার কথা। এ ব্যাপারে দলের নেতাদের দাবি সরকারের অসহযোগিতার কারণেই দলীয় কর্মসূচি পালন করতে পারছে না দলটি।
আকাশবার্তা ডেস্ক :
৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জনের পর বিএনপি দিনটিকে গণতন্ত্র হত্যা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার রাজধানীতে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে না পাওয়ায় গতকাল শনিবার ঢাকা মহানগরীর থানায় থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দেয় বিএনপি। কিন্তু কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েও মাঠে দেখা যায়নি বিএনপি নেতা-কর্মীদের।
এ বিষয়ে দলের কর্মীরা জানায়, রাজধানীসহ সারা দেশে দলের কমিটি স্থবির হওয়াসহ সাংগঠনিক দুর্বলতায় তারা কর্মসূচি পালন করতে পারছে না। বিএনপিকর্মীরা বলেন, এখন বিভিন্ন স্থানে নতুন কমিটি গঠনের কাজ চলছে। কমিটি হয়ে গেলে নতুন নেতৃত্ব নিজ নিজ এলাকায় আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়বে। গণতান্ত্রিকভাবে কর্মসূচি পালন করতে চাইলেও সরকার সেটা করতে দিচ্ছে না বলেও দাবি করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা।
এদিকে, দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ব্রিফিং ডেকে রুহুল কবির রিজভী আহমেদ অভিযোগ করেন, বারবার কর্মসূচি ডেকেও পুলিশি বাধায় তারা তা পালন করতে পারছেন না। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও ছাত্রলীগ, যুবলীগের সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে বিভিন্ন স্থানে। কোনো কোনো স্থানে বাধা দিয়ে কালো পতাকা মিছিল প- করে দেয়ারও চেষ্টা করেছে তারা।
নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের পরিণতি কি হবে এটা অনুধাবন করেই ওবায়দুল কাদের সাহেবরা হুমকি আর ধমকের পথ অবলম্বন করেছেন। ২০১৮ সালে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ঘরে ঘরে বিজয় পতাকা উড়বে। তিনি সকল পুলিশি বাধা অতিক্রম করে নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করারও আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দুঃশাসনের বিদায়ের সময় চলে এসেছে।