আকাশবার্তা ডেস্ক :
প্রশ্ন ফাঁস এড়াতে আসন্ন মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা চলাকালীন ৩ ঘণ্টা সারাদেশে ফেসবুক-টুইটারসহ সব সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এ কথা জানান।অন্যান্য বছরের মতো এবারও সকালের পরীক্ষা ১০টা থেকে এবং বিকেলের পরীক্ষা ২টা থেকে শুরু হবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালের সময়টাতে দেশে ফেসবুক-টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো বন্ধ থাকবে। পরীক্ষা চলাকালে কেবল ওই ৩ ঘণ্টাই বন্ধ থাকবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো।এছাড়া, তিন দিন আগে থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত দেশে সব ধরনের কোচিং সেন্টারও বন্ধ থাকবে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করে স্ব স্ব আসনে বসতে হবে। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের অজুহাত গ্রহণযোগ্য হবে না। অন্যথায় পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না। কোনো পরীক্ষার্থীর হাতে মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তাকে তৎক্ষণাৎ বহিস্কার করা হবে। নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের জন্য এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেয়া হবে না। সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা নকল প্রতিরোধে আক্রমণাত্মক থাকবে। কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তার সঙ্গে জড়িত হলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে বহিস্কারসহ শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনাও দেন।
উল্লেখ্য, আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে ২০১৮ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট-এসএসসি পরীক্ষা। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী এসএসসির লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। সময়সূচিতে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই দুইটি পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।
নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা এবং ক্যারিয়ার শিক্ষা বিষয়গুলোর ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমের পাওয়া নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করবে। সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র ব্যবহারিক পরীক্ষার নম্বরের সঙ্গে ধারাবাহিক মূল্যায়নে শিক্ষার্থীর পাওয়া নম্বর বোর্ডের ওয়েবসাইটে অনলাইনে পাঠাবে।