বৃহস্পতিবার ৩০শে জুলাই, ২০২৬ ইং ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার অস্থায়ী কার্যালয়ের উদ্বোধন লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের

পাখি সংরক্ষণের অনন্য উদ্যোগ (ভিডিওসহ)

আকাশবার্তা ডেস্ক : 


নেত্রকোণায় বিলুপ্ত প্রায় পাখি সংরক্ষণে অনন্য এক উদ্যোগ নিয়েছেন মিস্টার মিয়া নামের এক ব্যক্তি। তিনি কেন্দুয়া উপজেলা সদরের সাউদপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এক যুগ ধরে বিপন্ন প্রজাতির পাখি পোষ মানিয়ে এদের বংশবৃদ্ধি করে চলেছেন তিনি।

এতে করে একদিকে বিলুপ্তি থেকে পাখি যেমন রক্ষা পাচ্ছে তেমনি পরিবেশেরও ভারসাম্য রক্ষা হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। এ কাজে মিস্টারকে সাহায্য করছে তার দুই সন্তান।

তিনি বলেন, ২০০৬ সালে সুনামগঞ্জে এক পাখি শিকারীর হাতে আটকা পড়া পাখি দেখে তিনি খুব ব্যথিত হন। সেইদিন ওই শিকারীর কাছ থেকে পাখি কিনে বাড়িতে এনে লালন পালন শুরু করেন। এক পর্যায়ে পোষ মানিয়ে খাঁচা থেকে পাখি ছেড়ে দিয়ে হাঁস, মুরগি, কবুতরের সাথে মুক্ত অবস্থায় পালন শুরু করেন।

দিনে বাড়ির আঙ্গিনার গাছে, ঘরের চালে বিচরণ করে আর রাতে নির্দিষ্ট আবাসে থাকে পাখিগুলো। প্রয়োজনীয় খাবারও যোগান দেন তিনি। এভাবে তিনি বিভিন্ন জনের কাছ থেকে বিপন্ন অবস্থায় পড়া পাখি সংগ্রহ করে পালন করে আসছেন।

বক, কালেম, ঘুঘু, ডাহুক ও কুড়া জাতীয় পাখি রয়েছে তার সংগ্রহে।

তিনি বলেন, পাখির বাচ্চা ফুটে একটু বড় হলেই তাদের মুক্ত করে দেওয়া হয়।

মনের আনন্দ থেকেই পাখি সংরক্ষণে এই চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

“নিজ খরচে পালন করে ১২ বছরে প্রজনন হওয়া ৮০০ এরও বেশি পাখি বনে ও জলে ছেড়েছি।”

তার ছেলে গাজী খান বলেন, পড়ালেখার পাশাপাশি পাখিগুলোর খাবার দেওয়াসহ বিভিন্ন পরিচর্চা করি।

সাউদপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আবুল মিয়া বলেন, প্রতিদিনই নেত্রকোণা, ময়মনসিমংহ, কিশোরগঞ্জ থেকে লোকজন আসে পাখি দেখতে।

নেত্রকোণা জেলা প্রকৃতি বাঁচাও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক পলাশ বলেন, “মিস্টারের এই উদ্যোগ অনুকরণীয়। তার এই কাজে বিপন্ন প্রজাতির পাখি যেমন বাঁচবে তেমনি পরিবেশও বাঁচবে।”

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১