বুধবার ৩রা জুন, ২০২৬ ইং ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

‘কিশোরদের ব্যবহার করছে গডফাদাররা’

আকাশবার্তা ডেস্ক :

বরগুনায় রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে খুনের মামলায় ১১ অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে বরগুনা শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায়ে ছয়জনকে ১০ বছর করে, চারজনকে পাঁচ বছর করে এবং একজনকে তিন বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন।

এছাড়া অভিযোগপত্রভুক্ত তিন কিশোর আসামি বেকসুর খালাস পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী হুমায়ুন কবির।

রায়ের অবজারভেশনে আদালত বলেছেন, দেশে শিশু ও কিশোর আসামিদের অপরাধ নির্মূল করার জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের দন্ড বৃদ্ধি করা দরকার।

এছাড়াও রায়ের অবজারভেশনে নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নর প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেছেন আদালত।

এ বিষয়ে রিফাত হত্যা মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও বরগুনার শিশু আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বলেন, রায়ের অবজারভেশনে আদালত বলেছেন- ‘বাংলাদেশে কিশোর অপরাধীদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপরাধের তুলনায় কিশোরদের শাস্তির পরিমাণ কম হওয়ায় গডফাদাররা কিশোরদের ব্যবহার করছে।

তাই আদালত বলেছেন, কিশোর অপরাধ নির্মূলের জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের শাস্তির পরিমান আরো বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

পিপি মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল আরো বলেন, ‘রায়ের অবজারভেশনে কিশোর অপরাধ দমনে আদালত যে মন্তব্য করেছেন, তার সাথে আমিও একমত পোষণ করছি। কারন কিশোর অপরাধীদের শাস্তি বৃদ্ধি করা না হলে এদের অপরাধের পরিমান দিন দিন বৃদ্ধি পাবে।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মোঃ গোলাম মোস্তফা কাদের বলেন, শিশু আসামিদের দন্ড বৃদ্ধি করার পাশাপাশি রায়ের অবজারভেশনে আদালত মিন্নি প্রসঙ্গে বলেছেন- এ ঘটনার সাথে জড়িত মিন্নির অনৈতিক ও বেপরোয়া জীবনযাপনের কারণে রিফাত হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে। এই কিশোর আসামিরা প্রাপ্তবয়স্ক দন্ডিত আসামিদের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন।

পারিবারিক শিক্ষা, নৈতিক শিক্ষা ও মৌলিক শিক্ষার অভাবে এই কিশোররা বিপদগামী হয়েছেন। তাই এই আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে দেশে কিশোর অপরাধের সংখ্যা এবং কিশোর গ্যাঙের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ জুন বরগুনার কলেজ রোড এলাকায় দিনের বেলা কয়েকজন যুবক রিফাত শরীফের ওপর ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। রিফাত শরীফের সাথে তখন তার স্ত্রী মিন্নি ছিলেন। পরে তাকেও আসামি করা হয়।

এ হত্যাকাণ্ডের দুই মাস ছয় দিন পর গত বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হুমায়ূন কবির ২৪ জনকে আসামিকে প্রাপ্ত এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ভিত্তিতে দুই ভাগে বিভক্ত করে বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে দুইটি পৃথক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

তাতে ১০ জন প্রাপ্তবয়স্ক আসামি এবং ১৪ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক উল্লেখ করা হয়।  একই সঙ্গে রিফাত হত্যা মামলার এক নম্বর আসামি নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেয় হয়েছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০