বুধবার ৩রা জুন, ২০২৬ ইং ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন সেনবাগে ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে ১২শ’ পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ঘোষণা : কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা অনুমোদন : লক্ষ্মীপুরে আনন্দ মিছিল চন্দ্রগঞ্জে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন চন্দ্রগঞ্জে যুবদলের কর্মী সম্মেলনে নুর হোসেন হারুন সভাপতি পদে এগিয়ে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের কর্মী সম্মেলন কাল : সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন রিপন চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন কৃষকদলের ৫১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা

গভীর রাতে ৪০ স্ত্রীর সাথে নগ্ন হয়ে গোসল করতেন যে রাজা!

আকাশবার্তা ডেস্ক :

ইতিহাসে আজও কুখ্যাত হয়ে আছেন ভারতের রাজস্থানের রাজা কিষণ সিংহ। রাজস্থান মানেই বীর রাজপুতদের জায়গা। মহারানা প্রতাপ সিংহ থেকে সংগ্রাম সিংহ, একের পরে এক বীরপুঙ্গবের জন্মের জায়গা হিসেবে আজও রাজস্থানের নাম গর্বভরে নেয়া হয়।

এমনকী, রানী পদ্মাবতী যিনি আলাউদ্দিন খিলজির হাত থেকে সম্মান রক্ষার্থে স্বামীর চিতায় জ্যান্ত আত্নাহুতি দিয়েছিলেন, তার কাহিনি শুনে আজও ভারতীয় নারীরা অনুপ্রেরণা পান। সেখানে রাজস্থানের মতো বীরজন্মের পীঠস্থানে রাজা কিষণ সিংহের কাহিনি স্বাভাবিকভাবেই অবাক করে।

শুধু বৈভব বা অর্থ নয়ছয় করা নয়, রাজা কিষণ সিংহ যেভাবে নারীসঙ্গ উপভোগের জন্য এইসব করতেন, তার জন্য আজও তাকে ধিক্কার দেন রাজস্থানবাসী। ১৮৮৯ সালে জন্ম রাজা কিষণ সিংহের। দেওয়ান জারামানি দাসের লেখা বই থেকে রাজা কিষণ সিংহের নারীসঙ্গের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

জানা যায়, গভীর রাতের অন্ধকারে সুইমিং পুলে নগ্ন হয়ে স্ত্রীদের সঙ্গে গোসল করতে নামতেন কিষণ সিংহ। এটা ছিল তার প্যাশন। রাজা কিষণ সিংহের রাজমহলে ৪০ জন রানি থাকতেন। রাজার গোসলের সময় এই রানিরাও নাকি নগ্ন হয়ে পুলে নেমে পড়তেন।

বিলাসবহুল এই জীবনকে আরও রঙিন করতে রাজমহলের সামনে গোলাপি মার্বেলে সুইমিং পুল বানিয়েছিলেন কিষণ সিংহ। এমনকী, সেই সুইমিং পুলে যাওয়ার রাস্তা বাঁধানো হয়েছিল চন্দন কাঠে। সুইমিং পুলে নামার জন্য চন্দন কাঠের সিঁড়িও বানানো হয়েছিল। পুলের মধ্যে ২০টি চন্দনকাঠের পাটাতন এমনভাবে রাখা হয়েছিল যে, এক একটি পাটাতলে ২জন করে রানি আরামসে দাঁড়াতে পারতেন।

রাজা কিষণ সিংহের নির্দেশে প্রত্যেক রানিকেই হাতে মোমবাতি নিয়ে পুলের সিঁড়ি থেকে একদম সিড়ির শেষ ধাপ পর্যন্ত দাঁড়াতে হতো। মোমবাতি হাতে রানিরা পুলে এসে হাজির হলে নিবিয়ে দেওয়া হত রাজপ্রাসাদের সমস্ত আলো। রানিরা পুলের সামনে এসে দাঁড়ানোর পরে রাজা পুলে আসতেন। সুইমিং পুলে নামার সময়ে এক এক করে রানিদের পুলে ছুড়ে দিতেন রাজা। কেবল একজন রানিকে বাহুডোরে নিয়ে নিতেন। রাজা পুলে নামলে নগ্ন অবস্থায় হাতে মোমবাতি নিয়ে নৃত্য পরিবেশন করতে হত রানিদের।

রানিদের উদ্দেশে কিষণ সিংহের কঠোর নির্দেশ ছিল, মোমবাতি যেন না নেবে। নাচের শেষমুহূর্ত পর্যন্ত যে রানির হাতের মোমবাতি জ্বলত, তাকে নিয়ে নিজের খাসমহলে যেতেন রাজা। এর মানে, ওই রানি সেই রাতে রাজার সঙ্গে রাত কাটানোর সুযোগ পেতেন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুন ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মে    
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০