
কুশাখালীর ফরাসগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত আলোকিত স্কুল এন্ড পাঠাগারের শিক্ষার্থীরা উল্লাস প্রকাশ করছে।
আকাশবার্তা ডেস্ক :
‘আলোকিত সমাজ বিনির্মাণে, আলোকিত মানুষ চাই’-শ্লোগান নিয়ে লক্ষ্মীপুর সদরের কুশাখালী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল ফরাশগঞ্জে ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘আলোকিত পাঠাগার’। দরিদ্র পরিবারের অবহেলিত শিশু সন্তান ও ঝরেপড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখী করার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় পাঠাগারটি। আলোকিত এই পাঠাগারের উন্নয়নে পাশে দাঁড়ালেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ নুরুজ্জামান।
বিগত ডিসেম্বরে স্কুল ও পাঠাগার উন্নয়নের জন্য ৫ বান্ডিল ঢেউটিন ও ১৫ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন ইউএনও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। আলোকিত পাঠাগারের পক্ষে চেক গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠাতা ইঞ্জিনিয়ার আরিফ চৌধুরী শুভ। পাঠাগার ও স্কুলটি বর্তমানে নিজস্ব স্থায়ী ভবনে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ইউএনও মোহাম্মদ নুরুজ্জামান বলেন, আলোকিত পাঠাগার একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান। আরিফ চৌধুরী শুভ ব্যক্তিগত উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত করে ভালো কাজ করেছেন। আমি পাঠাগারের বিষয়টি জানার পর ভবন তৈরির জন্য ৫ বা-িল ঢেউটিন ও ১৫ হাজার টাকা প্রদান করেছি। আরিফ চৌধুরীর উদ্যোগ ভালো। পাঠাগারটি যদি ভালো কিছু বয়ে আনতে পারে প্রশাসনিকভাবে আমরা যেকোনো সহায়তা দিতে এগিয়ে আসবো।
স্থানীয় শিক্ষক আবু তাহের বলেন, আরিফ চৌধুরী ফরাশগঞ্জ গ্রামে আলোকিত পাঠাগারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বই পড়ার প্রতি অনুপ্রাণিত করে আসছে। স্বাধীনতার পর ৪৫ বছরেও এই গ্রামে কেউ পাঠাগার নির্মাণ করেনি। আরিফ চৌধুরী একক প্রচেষ্টায় এই সাহস দেখিয়েছেন। আমরা এলাকাবাসী তার পাশে আছি।