সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরে বাজুসের নির্বাচনে চেয়ারম্যান সমীর, সেক্রেটারী পলাশ লক্ষ্মীপুরে বাজুসের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গ্রহণ চন্দ্রগঞ্জে ১২ মামলার পলাতক আসামি শাহাদাত গ্রেপ্তার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল লক্ষ্মীপুর বাজুস নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের সভা লক্ষ্মীপুরে ছুরিকাঘাতে শিশু নিহত, ঘাতক পলাতক চন্দ্রগঞ্জে মাদক বিরোধী র‍্যালি ও পথসভা সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে চুন কারখানা পরিচালনায় পরিবেশ দূষণের অভিযোগ চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় শ্রেষ্ঠ প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় চন্দ্রগঞ্জে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস কার্যক্রম উদ্বোধন

গার্মেন্টসকর্মীকে ধর্ষণের পর হত্যায় ৩ জনের ফাঁসি

আকাশবার্তা ডেস্ক :


নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গার্মেন্টসকর্মী আসমা আক্তার বিউটিকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যায় তিন আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় চার আসামি খালাস পেয়েছেন।সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মো. জুয়েল রানা এ রায় ঘোষণা করেন।আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রাকিবউদ্দিন আহমেদ রাকিব এ তথ্য জানিয়েছেন।মামলায় চার্জশিটে মোট ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নাসির উদ্দিন বিটল (৪০), অকু মিয়ার ছেলে ছফুন (৩৪), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে খোকন মিয়া (৩২)।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন আলমাস ব্যাপারীর ছেলে ছালেহ আহমেদ ছালাত, মৃত মোমিন আলী মুন্সির ছেলে হাসান কবির মেম্বার, আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল আজিজ ওরফে দাড়িওয়ালা আজিজ, সুজন মিয়ার ছেলে মো. মিজান।মামলার বাদী নিহতের পিতা রাজা মিয়া জানান, ২০০৮ সালের ১১ মার্চ রাতে তার মেয়ে আসমা বেগম নারায়ণগঞ্জ থেকে গার্মেন্টসের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে শীতলক্ষ্যা নদীর বন্দর খেয়া পাড় হওয়ার পর অপহরণ হয়। পরদিন বন্দরের কুশিয়ারা এলাকায় একটি ঝোঁপ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় আসমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় তিনি সাতজনকে আসামী করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত আসমা বেগমের বাবা রাজা মিয়া ও মা উম্মে হানি। সব আসামির মৃত্যুদণ্ড আশা করেছিলেন তারা। দশ বছর ধরে তারা ন্যায় বিচারের আশায় ছিলেন। চারজন আসামি খালাস পেয়ে যাওয়ায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করবেন বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রকিব উদ্দিন জানান, মামলার তদন্তে ২৪ জনকে সাক্ষী করা হয়। এর মধ্যে ১৪ জন আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষী দেয়। এতে প্রমাণ হয় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আসমা বেগমকে  ধর্ষণ করার পর হত্যা করে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেও ধর্ষণ এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

October 2026
S S M T W T F
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31