রবিবার ১৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

গার্মেন্টসকর্মীকে ধর্ষণের পর হত্যায় ৩ জনের ফাঁসি

আকাশবার্তা ডেস্ক :


নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গার্মেন্টসকর্মী আসমা আক্তার বিউটিকে অপহরণ ও ধর্ষণের পর হত্যায় তিন আসামির ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। এ মামলায় চার আসামি খালাস পেয়েছেন।সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের বিচারক মো. জুয়েল রানা এ রায় ঘোষণা করেন।আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রাকিবউদ্দিন আহমেদ রাকিব এ তথ্য জানিয়েছেন।মামলায় চার্জশিটে মোট ২৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি ও জেরা শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নাসির উদ্দিন বিটল (৪০), অকু মিয়ার ছেলে ছফুন (৩৪), মৃত আব্দুস সালামের ছেলে খোকন মিয়া (৩২)।

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন আলমাস ব্যাপারীর ছেলে ছালেহ আহমেদ ছালাত, মৃত মোমিন আলী মুন্সির ছেলে হাসান কবির মেম্বার, আবুল কাশেমের ছেলে আব্দুল আজিজ ওরফে দাড়িওয়ালা আজিজ, সুজন মিয়ার ছেলে মো. মিজান।মামলার বাদী নিহতের পিতা রাজা মিয়া জানান, ২০০৮ সালের ১১ মার্চ রাতে তার মেয়ে আসমা বেগম নারায়ণগঞ্জ থেকে গার্মেন্টসের কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে শীতলক্ষ্যা নদীর বন্দর খেয়া পাড় হওয়ার পর অপহরণ হয়। পরদিন বন্দরের কুশিয়ারা এলাকায় একটি ঝোঁপ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় আসমার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় তিনি সাতজনকে আসামী করে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন। আদালতের এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত আসমা বেগমের বাবা রাজা মিয়া ও মা উম্মে হানি। সব আসামির মৃত্যুদণ্ড আশা করেছিলেন তারা। দশ বছর ধরে তারা ন্যায় বিচারের আশায় ছিলেন। চারজন আসামি খালাস পেয়ে যাওয়ায় নিজেদের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত। এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করবেন বলেও জানান তিনি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী রকিব উদ্দিন জানান, মামলার তদন্তে ২৪ জনকে সাক্ষী করা হয়। এর মধ্যে ১৪ জন আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষী দেয়। এতে প্রমাণ হয় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আসমা বেগমকে  ধর্ষণ করার পর হত্যা করে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনেও ধর্ষণ এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১