আকাশবার্তা ডেস্ক :
ঈদে একটু ঘোরাঘুরি না হলে কী চলে? ঘোরাঘুরি আর বন্ধুদের সাথে জমিয়ে আড্ডা না হলে ঈদের আনন্দটাই যেন বৃথা। তাই এবারের ঈদুল ফিতরের আনন্দ উপভোগের জন্য জেলার মধ্যে সবচেয়ে ভালো বিনোদনের স্থান লক্ষ্মীপুরের রামগতি মেঘনা বীচ (নদীরপাড়)।
ঈদের দিন (১৬ জুন) বিকাল থেকে লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কে শত শত মোটরসাইকেল, ছোট ছোট পিকাপ কিংবা এ রুটে চলাচলাকারি বাস ভর্তি যাত্রী। যাত্রীদের বেশিরভাগই বয়সে তরুণ-যুবক, আছেন মধ্য বয়সীরাও। সবার গন্তব্য রামগতি উপজেলার “আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত”। গত দুই বছর থেকে আলেকজান্ডার শহর রক্ষা বেঁড়ি বাঁধটি পরিণত হয়েছে লক্ষ্মীপুর জেলার সেরা বিনোদন কেন্দ্র বা পর্যটন স্পট। “আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” দক্ষিণে সাগর ন্যায় বিশাল মেঘনা, মেঘনার বুকে ছুটে চলা শত শত নৌকা, সূর্যোদয় কিংবা সূর্যাস্তের দৃশ্য এসব একই স্থান “আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” দেখা মেলে।
সেজন্য লক্ষ্মীপুরসহ পাশের জেলা নোয়াখালী এবং ফেনী থেকে অনেক মানুষ এখন এখানে ছুটে আসছে অবসর বা বিনোদনের জন্য । গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন উৎসব কেন্দ্রিক ছুটির দিনগুলোতে এই এলাকায় দর্শনাথীদের ব্যাপক সমাগম। দেশের নানা প্রান্ত থেকেও আসছে পর্যটক। সাথে আছে রামগতি-কমলনগর তথা লক্ষ্মীপুরের স্থানীয় জনসাধারণের ব্যাপক উপস্থিতি। চার কিলোমিটার পাথুরে বেড়ি বাঁধের পূর্নাঙ্গ রূপ দেখার সুযোগ কেউ হাতছাড়া করতে রাজি নয়।
“আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকতই” শুধু নয়। কমলনগরের মতিরহাট এবং মাতাব্বরনগর মেঘনা তীর ও বেড়ি বাঁধ, রামগতির বয়ারচর, টাংকির খাল স্লুইসগেট, রামগতির বাজার সংলগ্ন বেড়ি বাঁধ এলাকাও দর্শনার্থীদের ব্যাপক আগমন ঘটছে।
কীভাবে যাবেন ?
“আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের ঝুমুর স্টেশন থেকে মাত্র ৫২ কিলোমিটার এবং নোয়াখালী জেলা শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দুরত্বে রামগতি উপজেলা পরিষদের সামনে মিঠা পানির সৈকত আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত। এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত।
লক্ষ্মীপুর বা নোয়াখালী থেকে আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকতে যাতাযাতের জন্য রয়েছে পাকা সড়ক পথ, যা সৈকতের সামনে এসে শেষ হয়েছে লক্ষ্মীপুর থেকে বাসে আসা নিরাপদ। মাত্র এক ঘন্টায় এখানে আসা যায়। এছাড়া সিএনজিসহ অন্য ছোট যানবাহনও রয়েছে। ঢাকা এবং চট্টগ্রামের সাথে সরাসরি বাস যোগাযোগ আছে।
২০১৪ সাল থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে আলেকজান্ডার শহর রক্ষা বাঁধটি নির্মাণ হয়। আলেকজান্ডার শহর রক্ষা বাঁধটি বর্তমানে “আলেকজান্ডার মেঘনা সৈকত” নামে পরিচিত। ইতোমধ্যে এই সৈকত দেশব্যাপী পরিচিতি পেয়েছে। বিকাল হতে না হতেই হাজার হাজার পর্যটক ভীড় জমায় এখানে।
সংগ্রহ : লক্ষ্মীপুরটুয়েন্টিফোর ডটকম।