বুধবার ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ:
লক্ষ্মীপুরের শ্রেষ্ঠ উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার নির্বাচিত মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের চন্দ্রগঞ্জে ১০০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে সেরা ১০ উচ্চ বিদ্যালয়ের শীর্ষে প্রতাপগঞ্জ হাইস্কুল প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীর অপহরণের চেষ্টার প্রতিবাদে মানববন্ধন, মহাসড়কে যানজট রায়পুরে একই পরিবারের ৩ জনকে কুপিয়ে হত্যা, দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বাংলাদেশ ২৪টি যুদ্ধবিমান কিনছে চীন থেকে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকদের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ : আইনি ব্যবস্থার দাবি ভুক্তভোগীদের লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জে অস্ত্রসহ দুই যুবক আটক চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন

ব্রাজিল ঘুরে দাঁড়াবেই

স্পোর্টস ডেস্ক :


ব্রাজিলকে ঘিরে আমাদের প্রত্যাশা একটু বেশিই ছিল। সেই মানসিকতা নিয়েই ম্যাচ দেখতে বসেছিলাম। কিন্তু শুরুতেই চূড়ান্ত হতাশ করল আমাদের ছেলেরা। তবে নেইমারদের পারফরম্যান্সের চেয়েও আমি বেশি বিরক্ত রেফারি সেসার আরতুরো রামোসকে নিয়ে। বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিল-মেক্সিকোর মতো হাইপ্রোফাইল ম্যাচ ক্রমাগত রেফারির ভুল সিদ্ধান্তের জেরে উপভোগ্য হয়ে উঠল না। ম্যাচের গতি যেন বারবার থমকে যাচ্ছিল। ভিএআর নিয়ম চালু হওয়ার পরও কেন সুইজারল্যান্ডের গোলকে স্বীকৃতি দেওয়া হল, সেটাই বুঝলাম না। টেলিভিশনে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে, ডিফেন্ডার মিরান্দাকে ধাক্কা মেরে সুইৎজারল্যান্ডের গোলদাতা স্টিভেন জুবার হেডে গোল করেছে। পরিষ্কার ফাউল। এটা নিয়ে কোনও দ্বিমত থাকতেই পারে না। রেফারির চোখ এড়িয়ে যাওয়াটা অস্বাভাবিক নয়।
তবে প্রশ্ন হল, ভিএআর পদ্ধতির কেন সাহায্য নেওয়া হল না? এখানেই শেষ নয়। ব্রাজিল একটি পেনাল্টি পেতেই পারত। সেটাও হল না। এছাড়াও নেমারকে যেভাবে ক্রমাগত সুইৎজারল্যান্ডের ফুটবলাররা মেরে চলেছিল, সেখানেও কড়া হওয়া উচিত ছিল রামোসের। অনেক বেশি ফাউল করা হয়েছে, সে তুলনায় কার্ড দেখানো হয়নি। এমনিতেই নেমার পুরো ফিট নয়। রবিবারের ম্যাচে সেটা স্পষ্ট বোঝা গিয়েছে। তাও দলের জন্য মাঠে নেমে পড়েছিল। শুনছি তো ফের পুরনো চোটে সমস্যা হওয়ায় কোস্টা রিকা ম্যাচে নাও খেলতে পারে ও। নেমারের আরও দু’-তিন ম্যাচ লাগবে পুরো সুস্থ হতে। নিজের ছন্দে ফিরতে। তবে রেফারির ঘাড়ে পুরো দায় চাপিয়ে দিয়ে চিচ-এর ছেলেরা যে বেঁচে যাবে এমনটা নয়।
সুইৎজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ব্রাজিল দ্বিতীয়ার্ধে মোটেও ভাল খেলতে পারেনি। প্রথমার্ধ তাও কিছুটা নজর কেড়েছিল। নিজেদের মধ্যে পাস খেলা, ফুটবলাররা সাইড পরিবর্তন করে বিপক্ষের স্ট্র্যাটেজি নষ্ট করে দেওয়ার পাশাপাশি আক্রমণেও জোর দিয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধে যেন খেলা থেকে হারিয়ে গেল ব্রাজিল। গোল করার মতো জায়গায় পৌঁছতে পারছিল না। উইলিয়ান, জেসুস, নেমাররা কার্যকরী ভূমিকা নিতেই পারেনি। চিচ ৪-১-৪-১ স্ট্র্যাটেজিতে টিম সাজিয়েছিল। উল্টোদিকে ডিফেন্সে জোর দিয়ে সুইৎজারল্যান্ডের পাল্টা স্ট্র্যাটেজি ছিল ৪-২-৩-১। ব্রাজিলের মতো টিমের বিরুদ্ধে একদম সঠিক স্ট্র্যাটেজি। রক্ষণ গুছিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠার লক্ষ্য ছিল। যেটাতে সফল সুইৎজারল্যান্ড। তবে ব্রাজিলের প্রথম ম্যাচের পরে আশা ছেড়ে দেওয়ার প্রশ্ন আসে না। টুর্নামেন্টের শুরুতে এমনটা হতেই পারে। ব্রাজিল ঘুরে দাঁড়াবে, এমন আশাতেই রইলাম। এবার বিশ্বকাপে কিন্তু গ্রুপ লিগের ম্যাচেই নক-আউটের মতো টানটান উত্তেজনা থাকবে। কখন কে অঘটন ঘটাবে, আগে থেকে বলা কঠিন।

     এই বিভাগের আরও সংবাদ

আর্কাইভ

জুলাই ২০২৬
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« জুন    
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১